যুক্তি-২ ও যুক্তি-৩ এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।
উত্তর: যুক্তি-২ ও যুক্তি-৩ যথাক্রমে অবরোহ ও আরোহ অনুমানকে নির্দেশ। করে।অবরোহ অনুমান হচ্ছে সকল থেকে কিছুতে গমন করার প্রক্রিয়া। এতে একটি প্রতিষ্ঠিত ধারণা থেকে শুরু করে বিশেষ ধারণাতে পৌঁছানো যায়। এ অনুমানের গতি নিম্নমুখী। অন্যদিকে, আরোহ অনুমান হচ্ছে কিছু থেকে সকলে গমনের প্রক্রিয়া। এ অনুমানের মাধ্যমে কতিপয় বিশিষ্ট ধারণা থেকে সার্বিক ধারণায় উপনীত হওয়া যায়। তাই আরোহ অনুমানের গতি ঊর্ধ্বমুখী। পাশাপাশি অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্তটি কখনোই আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হতে পারে না। অপরদিকে, আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত সব সময় আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হয়।আমরা জানি, অবরোহ অনুমানের আশ্রয়বাক্যকে সব সময় সত্য বলে ধরে নেয়া হয়। কিন্তু আরোহ অনুমানের আশ্রয়বাক্য নিশ্চিতভাবে সত্য হয়ে থাকে। অর্থাৎ, অবরোহ অনুমানের লক্ষ্য আকারগত সত্যতা অর্জন করা। অন্যদিকে, আরোহ অনুমানের লক্ষ্য আকারগত ও বস্তুগত সত্যতা অর্জন করা। যেমন- উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-২ এ বর্ণিত, 'সকল দার্শনিক হন মানুষ, এরিস্টটল হন একজন দার্শনিক। অতএব এরিস্টটল হন একজন মানুষ'। এ অনুমান প্রক্রিয়াটি আকারগত দিক থেকে সত্য। অন্যদিকে, যুক্তি-৩ এ শিমুল, তমাল, গীতা ও মিতার মরণশীলতার ওপর ভিত্তি করে সকল মানুষকে মরণশীল বলা হয়েছে। এটি আকারগত ও বস্তুগত উভয় দিক থেকে সত্যতা নিশ্চিত করে।পরিশেষে বলা যায়, অবরোহ ও আরোহ অনুমানের মধ্যে পদ্ধতিগত ভিন্নতা থাকলেও যুক্তির ক্ষেত্রে উভয় প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
HSC Logic 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 1st Paper · সৃজনশীল
যুক্তি-২ ও যুক্তি-৩ এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।
উদ্দীপক
Dinajpur · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর