উদ্দীপকে বর্ণিত 'বাংলাদেশ' 'ভারত' ও 'রাষ্ট্রদূত' পদ তিনটি যথাক্রমে সহানুমানের প্রধান পদ, অপ্রধান পদ ও মধ্যপদকে নির্দেশে। এই তিনটি পদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।
যেকোনো সহানুমানে তিনটি যুক্তিবাক্য থাকে। এদের মধ্যে দুটি আশ্রয়বাক্য এবং তৃতীয়টি হলো সিদ্ধান্ত। যা আশ্রয়বাক্য দুটি থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়। সহানুমানের সিদ্ধান্তের বিধেয় পদকে প্রধান পদ বলে। এই পদটি প্রধান আশ্রয়বাক্যের মধ্যপদের সাথে সংযুক্ত। মধ্যপদের মধ্যস্থতায় এই পদটি শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে এসে অপ্রধান পদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে। আবার সহানুমানের সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্যকে বলা হয় অপ্রধান পদ। এই পদটি অপ্রধান আশ্রয়বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের মধ্যপদের সাথে যুক্ত হয়। মধ্যপদের মধ্যস্থতায় এই পদটি সিদ্ধান্তে এসে প্রধান পদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে। সহানুমানে মধ্যপদ বা হেতুপদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মধ্যপদ সহানুমানের উভয় আশ্রয়বাক্যের পাশাপাশি 'প্রধান পদ' ও 'অপ্রধান পদের' মধ্যে একটি সম্পর্ক তৈরি করে।
উদ্দীপকে বাংলাদেশকে প্রধান পদ, ভারতকে অপ্রধান পদ এবং রাষ্ট্রদূতকে মধ্যপদ হিসেবে বিবেচনা করা যায়, কারণ রাষ্ট্রদূতের মধ্যস্থতায় অর্থাৎ মধ্যপদের ভূমিকায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
পরিশেষে বলা যায় প্রধান পদ, অপ্রধান পদ ও মধ্যপদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।