দৃশ্যকল্প-১ আবর্তন এবং দৃশ্যকল্প-২ প্রতিবর্তনকে নির্দেশ করে। এদের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান।
যে অমাধ্যম অবরোহ অনুমানে গুণের পরিবর্তন না করে- আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদকে ন্যায়সঙ্গতভাবে স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয় তাকে আবর্তন বলে। যেমন- দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে, সকল মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব।
.. কিছু বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব হয় মানুষ। অন্যদিকে, যে অমাধ্যম অবরোহ অনুমানে আশ্রয়বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে গুণের পরিবর্তন করে এবং বিধেয়ের বিরুদ্ধ পদকে বিধেয় হিসেবে গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয় তাকে প্রতিবর্তন বলে। যেমন- দৃশ্যকল্প-২ এ বলা হয়েছে, সকল কবি হয় শিক্ষিত। অতএব, কোনো কবি নয় অ-শিক্ষিত।
আবার আবর্তনের আশ্রয়বাক্যকে আবর্তনীয় এবং সিদ্ধান্তকে আবর্তিত বলে। অপরপক্ষে, প্রতিবর্তনের আশ্রয়বাক্যকে প্রতিবর্তনীয় এবং সিদ্ধান্তকে প্রতিবর্তিত বলে।
সুতরাং, আবর্তন এবং প্রতিবর্তন উভয়ই অমাধ্যম অনুমান হলেও প্রকৃতিগতভাবে এরা পরস্পর সম্পূর্ণ ভিন্ন।