উদ্দীপকে যুক্তি-১ দ্বিতীয় সংস্থানের AEE বৈধ মূর্তির একটি দৃষ্টান্ত। সহানুমানের আশ্রয়বাক্য দুটিতে মধ্যপদের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের ফলে সহানুমানের যে আকার বা রূপ ধারণ করে, তাকে সংস্থান বলে। যেমন- A-সকল কবি হয় কল্পনাবিলাসী। E-কোনো দার্শনিক নয় কল্পনাবিলাসী। অতএব, E-কোনো দার্শনিক নয় কবি।
এখানে মধ্যপদটি অপ্রধান আশ্রয়বাক্য E যুক্তিবাক্যের বিধেয় হিসেবে ব্যাপ্য হয়েছে। সিদ্ধান্ত E বাক্য বিধায় এর উভয় পদই ব্যাপ্য। অর্থাৎ প্রধান পদ এবং অপ্রধান পদ উভয়ই ব্যাপ্য। আশ্রয়বাক্যের প্রধান পদ A যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য হিসেবে ব্যাপ্য হয়েছে। অন্যদিকে, অপ্রধান আশ্রয়বাক্যে অপ্রধান পদ E যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য হিসেবে ব্যাপ্য হয়েছে। তাই এখানে ব্যাপ্যতা সংক্রান্ত নিয়মও লঙ্ঘিত হয়নি। তাছাড়া সহানুমানের অন্যকোনো নিয়মও অমান্য করা হয়নি। তাই এটি একটি বৈধ যুক্তি। অতএব, AE যুগল থেকে প্রাপ্ত AEE সংস্থানটি দ্বিতীয় সংস্থানের মূর্তি হিসেবে সম্পূর্ণ বৈধ। একে CAMESTRES বলে আখ্যায়িত করা হয়।
উদ্দীপকে যুক্তি-১ হলো- সকল দার্শনিক হয় জ্ঞানী- A
কোনো দেবতা নয় দার্শনিক- E
... কোনো দেবতা নয় জ্ঞানী- E
এখানে, ব্যাপ্যতা সংক্রান্ত কোনো নিয়মের লঙ্ঘন হয়নি এবং সহানুমানের সকল নিয়ম পূরণ হয়েছে। তাই AEE সংস্থানটি AE যুগল থেকে প্রাপ্ত দ্বিতীয় সংস্থানের একটি বৈধ যুক্তি।
সুতরাং, উদ্দীপকে যুক্তি-১ একটি বৈধ যুক্তি।