উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: বাংলাদেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তথ্য অধিকার আইনটি একটি মাইলফলক- শ্রেণীশিক্ষকের এই উক্তিটি যথার্থ। বাংলাদেশের ২০০৯ সালে ৫ এপ্রিল তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হয়। তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এই আইন প্রণীত হয়। এ আইনটা চালু হওয়ার পূর্বে যেসব তথ্য গোপন ছিল, এখন জনগণ তার জেনে নিজেদের অধিকার যেমন ভোগ করতে পারবে, তেমনি সেসব প্রতিষ্ঠানে কাজের উপর নজরদারি স্থাপন করে তাদের কাজকে আরো নিয়মতান্ত্রিক ও সত্যনিষ্ঠ করে তুলতে পারবে। তথ্য প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা লাভ করবে যা দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকে বর্ণিত তথ্য অধিকার আইনটির গুরুত্ব অত্যধিক। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জনগণ সব ক্ষমতার উৎস। রাষ্ট্রের সব কার্যক্রম জনগণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় । আর তাই বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তথ্য অধিকার আইন একটি যুগোপযোগী আইন। এই আইনের আওতায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক তার প্রয়োজনীয় তথ্য জানার অধিকার রাখে। ফলে রাষ্ট্রের যে কোন নাগরিক এখন যে কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মের তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে । এর ফলে প্রশাসনের দুর্নীতির হ্রাস পাবে। তথ্য অধিকার আইন সরকার ও জনগণের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটিয়ে সমাজের সর্বস্তরের গণতান্ত্রিক চেতনা তৈরি ও গণতান্ত্রিক ক্ষমতা বিকাশের পথ প্রশস্ত করে। তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে নাগরিকের মধ্যে এক ধরনের সচেতনতা সৃষ্টি হয়ে দায়িত্ববোধ জাগ্রত হয়। উপরিউক্ত আলোচনার শেষে বলা যায়, তথ্য অধিকার আইন জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করে, প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করে। আরে দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং প্রশ্নোত্তর উক্তিটি যথার্থ।
HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
Rajshahi · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর