উক্ত নেতৃত্ব তথা সম্মোহনী নেতৃত্ব দেশপ্রেম সৃষ্টিতে অনন্য ভূমিকা পালন করে। মন্তব্যটি যথার্থ। যেকোনো সমাজ ব্যবস্থায় বা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। নেতৃত্ব হলো এমন একটি শক্তিশালী কৌশল যার মাধ্যমে একজন নেতা নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য অন্যান্য ব্যক্তিকে পরিচালিত, প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রণ করেন এবং সমাজের ইন্সিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য অন্যদের উদ্দীপ্ত করেন। জনগণের মাঝে তখন দেশের প্রতি এক গভীর অনুভূতি জন্ম নেয় যার দেশপ্রেমের সৃষ্টি করে। অর্থাৎ একজন নেতার নেতৃত্ব বিশেষ করে একটি সম্মোহনী নেতৃত্ব তার দেশের প্রতিটি জনগণকে দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে উঠতে অগ্রানি ভূমিকা পালন করে। উদ্দীপকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সম্মোহনী নেতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে কারণ তিনি তার অসামান্য সম্মোহনই নেতৃত্বের গুনি বাঙালি জাতিকে সংঘটিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছিল। নেতৃত্ব এমন একটি গুণ,যা অন্যকে প্রভাবিত ও অনুপ্রাণিত করে। নেতাই পারেন সাধারণ জনগণকে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে। নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পূর্ণ ব্যক্তিই হলেন জনগণের অভিভাবক, পরিচালক, উৎসাহ প্রদানকারী এবং পথপ্রদর্শক। নেতৃত্বের অনুপ্রেরণায় জনগণ উদ্বুদ্ধ হয়। এক আদর্শ ও ভাবনায় অনুপ্রাণিত হয়ে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনে তৎপর হয়। জনগণ দেশকে আপন করে ভাবতে শুরু করে। দেশের প্রতি জনগণের গভীর অনুভূতি জাগ্রত করে। আর মাতৃভূমির প্রতি এই মর্মত্ববোধ আবেগ ও অনুভূতি এবং এসবের প্রতিক্রিয়া যা কিছু ঘটে তার সবকিছু দেশ প্রেমের বহিঃপ্রকাশ। এটি এমন এক অনুভূতি যা একজন মানুষকে এক জাতি হিসেবে নিজের দেশ ও জনগণকে আপন করে ভাবতে শেখায়।আলোচনার পরিশেষে তাই বলা যায়, জনগণের মধ্যে দেশপ্রেম সৃষ্টিতে উক্ত নেতৃত্ব তথা সম্মোহনী নেতৃত্বের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।