হ্যাঁ, ঘটনা-১ এ জনাব আকবর আলী ও জনাব মসিয়ারের মধ্যে নেতৃত্বের একই গুণাবলি বিদ্যমান।
নেতৃত্ব হলো একটি সামাজিক গুণ। নেতার ব্যক্তিত্ব ও গুণাবলির ওপরই নেতৃত্ব নির্ভর করে। অর্থাৎ নেতার গুণাবলি ও যোগ্যতাকে বলা হয় নেতৃত্ব। নেতৃত্ব জনগণকে সুসংগঠিত করে এবং বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার জন্য কাজ করে। নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা গোষ্ঠী বা সমাজের জনসাধারণকে প্রভাবিত করে রাজনৈতিক বা সামাজিক উদ্দেশ্য সাধন করা যায়।
ঘটনা-১ এ দেখা যায়, 'ক' অঞ্চলের বিবাদমান দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে হঠাৎ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হলে তারা মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়ে । জনাব আকবর আলী উভয় গোষ্ঠীর লোকজনের কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজতে থাকেন । অন্যদিকে জনাব মসিয়ারও সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেন। তাদের দুজনের চেষ্টায় সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়। অর্থাৎ তারা দুজনই একই রকম গুণাবলির অধিকারী নেতৃত্ব, যা গণতান্ত্রিক নেতৃত্বকে নির্দেশ করে । কেননা, গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব জনগণের অংশগ্রহণ ও স্বাধীনতার ওপর আস্থা স্থাপন করে। এ ধরনের নেতৃত্ব একা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না। বরং সবার মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন । অর্থাৎ এ ধরনের নেতৃত্ব একজনের নিয়ন্ত্রণে থাকে না।
উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, জনাব আকবর ও জনাব মসিয়ার জনগণের সমস্যা সমাধানে একত্রিত হয়ে কাজ করেন। তাই বলা যায়, তাদের মধ্যে নেতৃত্বের একই গুণাবলি বিদ্যমান।