একটি দেশের উন্নয়নে সুষ্ঠু নেতৃত্বের গুরুত্ব বোঝাতে উক্তিটি করা হয়েছে।নেতৃত্ব হচ্ছে সামাজিক গুণ। সমাজ ও রাষ্ট্রকে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে পরিচালিত করাই নেতৃত্বের মূল লক্ষ্য। বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটে জর্জরিত সমাজ ও রাষ্ট্রে সুযোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। কেননা সুযোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া কোনো জাতি বা রাষ্ট্র অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না। সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলো নেতৃত্বের গুণেই সুনিয়ন্ত্রিত ও সুচারুরূপে পরিচালিত হয়। পরিবর্তনশীল সমাজকে সুযোগ্য নেতৃত্বই প্রগতির পথে এগিয়ে নিতে পারে।বর্তমান সময়ে সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো হাজারো সম্পাদিক্ষণ ক্যারিত। অধিকাংশ রাষ্ট্রেই দুর্বল, দুর্নীতি পরায়ণ এবং অদূরদর্শী নেতাকে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে দেখা যায়। অনেককে আবার সেকেলে ধ্যান-ধারণা নিয়ে সমস্যা মোকাবিলা বা রাষ্ট্রের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়। ফলে তাদের শাসনে 'অপশাসন' লক্ষ করা যায়। একজন আদর্শ নেতা ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা, অভিজ্ঞতা, শিক্ষা, দূরদৃষ্টি, চারিত্রিক কঠোরতা ও কোমলতা, নিরপেক্ষতা, ন্যায়-নীতি পরায়ণ মনোভাব, উদারতা, দায়িত্ববোধ, স্বার্থহীনতা, আত্মসংযম, কথা ও কাজের মিল প্রভৃতি গুণাবলীর অধিকারী হয়ে থাকেন, যা একটি দেশকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এসব গুণাবলিসম্পন্ন একজন নেতার পক্ষেই একটি জনকল্যাণকামী প্রশাসন সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের সার্বিক কল্যাণ সাধন করা সম্ভব।উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, যে কোনো দেশের উন্নতি বিধানের ক্ষেত্রে একজন সৎ ও যোগ্য নেতার গুরুত্ব অপরিসীম। একজন যোগ্য নেতার সুষ্ঠু নেতৃত্বেই একটি দেশ উন্নতির স্বর্ণশিখরে আরোহণ করতে পারে।