উদ্দীপকে রাশেদের মধ্যে বাগ্মিতা, ধৈর্য এবং সহনশীলতা গুণাবলি রয়েছে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রাশেদ ছোটবেলা থেকেই রাজনৈতিক কথা-বার্তা, আলাপ-আলোচনা শুনে অভ্যস্ত। তাই ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে একজন দক্ষ ও যোগ্য নেতা হয়ে উঠেন। তিনি যেমন বাগ্মী তেমনি ধৈর্যশীলও। বক্তব্যগুণে তিনি যেমন সবার মন জয় করেন, জনগণকে আকৃষ্টও করেন। যেকোনো সমাবেশে জনগণ তার বক্তব্য/ভাষণ শোনার জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকে। এ থেকে বোঝা যায়, রাশেদের মধ্যে বাগ্মিতা এবং ধৈর্য ও সহনশীলতা গুণাবলি বিদ্যমান।
ৰাগ্মিতা হলো সাবলীল, স্পষ্ট, প্রভাবশালী এবং আকর্ষণীয়ভাবে কথা বলার জ্ঞান, দক্ষতা এবং শিল্প। 'একজন ব্যক্তি তার ভাষার ব্যবহার, ভাব প্রকাশ, অঙ্গভঙ্গি এবং আবেগের মাধ্যমে শ্রোতা বা অনুসারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে, তার চিন্তা-চেতনা স্পষ্টভাবে বোঝাতে এবং তাদের মধ্যে অনুপ্রেরণা যোগাতে সক্ষম হন। একজন নেতাকে অবশ্যই বাগ্মী হতে হবে। বক্তব্য গুণেই তিনি যেমন সবার মন জয় করবেন তেমনি দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। ধৈর্য ও সহনশীলতা হলো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিরক্তি বা হতাশার সময় আত্মসংযম বজায় রাখার ক্ষমতা। একজন নেতার যেকোনো পরিস্থিতি ধৈর্য সহকারে মোকাবিলা করার নিজস্ব পন্থা থাকে। অতীত ৰা অনিবার্য ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে বর্তমানের দিকে মনোযোগ দেওয়ার কৌশল থাকে।