গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে বলে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব প্রয়োজন।
গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যাবশ্যক। গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ডে নাগরিকের অংশগ্রহণ সমর্থন করে। ফলে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠ সহজতর হয়।
সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ঐক্য, নাগরিক সুখ ও সমৃদ্ধি। গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব এজন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কাঠামো তৈরি করে। ইতিবাচক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও জনসেবক গণতান্ত্রিক নেতৃত্বই জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রফিক সাহেব দল-মত নির্বিশেষে সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য, যা গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের পরিচায়ক। তার নেতৃত্বের মধ্যে আইনের শাসন, জবাবদিহিতা ও মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় গুরুত্ব আরোপ করেন। তার নেতৃত্বের মতো গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য শাসনের সবক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখেন। তথ্য অবাধ ও সবার জন্য উন্মুক্তকরণ, গণশুনানি, আর্থিক বিবৃতি প্রকাশ, তথ্যে প্রবেশগম্যতার স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে থাকে। গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব সরকারি কর্মকাণ্ডে নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে গণতন্ত্রের গভীরতা বৃদ্ধি করে থাকে। সুশাসন নিশ্চিত করতে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব তার কাজ, সিদ্ধান্ত ও নীতির জন্য দায়িত্বশীল থাকে। বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, নারীর অধিকার, শিশু অধিকার, সংখ্যালঘুদের রক্ষার জন্য গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব জনগণের অংশগ্রহণ ও স্বাধীনতার ওপর আস্থা স্থাপন করে। গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে ক্ষমতা একজনের নিয়ন্ত্রণে না থেকে অনেক মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে। এতে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী সংগঠনের একজন মূল্যবান সদস্য হিসেবে গুরুত্ব অনুধাবন করে। গণতন্ত্র চর্চা করে এমন দেশগুলোর নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের উদাহরণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশের নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।