উদ্দীপকে আলোচিত মহান নেতার মধ্যে যে ধরনের নেতৃত্ব বিদ্যমান ছিল তা হলো সম্মোহনী নেতৃত্ব। কোন রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যখন কোন নেতার অসাধারণ ব্যক্তিত্ব নৈপূণ্য, প্রাঞ্জল বক্তব্য, সকলকে আকৃষ্ট এবং আবেগাপ্পুত করে তোলে এবং জনগণ মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় সেই নেতার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে। তখনই সম্মোহনী নেতৃত্বের জন্ম হয়। প্রকৃতপক্ষে সম্মোহনী নেতৃত্ব হলো এক জাদুকরি নেতৃত্ব। ভারতের মহাত্মা গান্ধী, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণ ও বাংলাদেশের শেখ মুজিবুর রহমান সম্মোহনী নেতৃত্বে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উদ্দীপকে বাংলাদেশের এক মহান নেতার কথা বলা হয়েছে যিনি তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের জন্য বাঙালি জাতি তাকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করে এবং জনগণ তাকে বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদান করেন। মূলত উদ্দীপকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের কথা বলা হয়েছে। কেননা তার নেতৃত্বে বাঙালি জাতির দ্রুত ঐক্যবদ্ধ হয় এবং তার নেতৃত্বের ধারণাটি ছিল সম্মোহনী যার দ্বারা তিনি সকলকে মুক্তিযুদ্ধে ও অনুপ্রাণিত করতে পেরেছিলেন। সুতরাং বলা যায় উদ্দীপকে আলোচিত নেতার মধ্যে সম্মোহনী নেতৃত্ব বিদ্যমান ছিল।