উদ্দীপকে সম্মোহনে নেতৃত্বের ইঙ্গিত রয়েছে। কোন রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যখন কোন নেতার অসাধারণ ব্যক্তিত্ব নৈপুণ্য, প্রাঞ্জল বক্তব্য, সকলকে আকৃষ্ট এবং আবেগাপ্পুত করে তোলে এবং জনগণ মন্ত্রমুগ্ধের নে সে নেতার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে, তখনই সম্মোহন নেতৃত্বের জন্ম হয়। সম্মোহনী শব্দটির অর্থ হচ্ছে কোন ব্যক্তির বিশেষ ব্যক্তি ও গুণাবলী।কোন বিশেষ নেতা যখন তার বক্তব্য ও কাজের দ্বারা জনগণকে ভীষণভাবে সম্মোহিত, অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয় তখন তাকে সম্মোহনী নেতৃত্ব বা জাদুকরি নেতৃত্ব বলা হয়। সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার সর্বপ্রথম এজাতীয় নেতৃত্বের ধারণা প্রদান করেন। ব্রিটিশ ভারতের মহাত্মা গান্ধী, বাংলাদেশের শেখ মুজিবুর রহমান, শেরেবাংলা এ. কে ফজলুল হক প্রমুখ নেতৃত্ববৃন্দের নেতৃত্ব ও জাতীয় নেতৃত্বের উদাহরণ। সম্মোহনে নেতৃত্বের প্রতি জনগণ অন্ধ আবেগে আপ্লুত হয়ে ওঠেন।উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে, আমরা এমন এক নেতা পেয়েছিলাম যার নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি একটি দেশ ও একটি পতাকা এবং আত্মপরিচয়। যার সম্মোহনী নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্যেই বহন করে।কেননা সম্মোহনী নেতৃত্বের মাধ্যমে একজন নেতা জনগণকে ভীষণভাবে সম্মোহিত, অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয়। সুতরাং বলা যায় উদ্দীপকে সম্মোহনী নেতৃত্বে ইঙ্গিত রয়েছে।