মি. লিউ-এর দেশে একদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান।রাষ্ট্রের মধ্যে যখন সাংবিধানিকভাবে একটি মাত্র রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব বিদ্যমান থাকে এবং তাদের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, তখন তাকে একদলীয় ব্যবস্থা বলে। এ ব্যবস্থায় একটি দলই সকল ক্ষমতার উৎস। রাষ্ট্রের মধ্যে একটি দলই তার দলীয় আদর্শ, নীতি ও কর্মসূচি অনুযায়ী শাসনকার্য পরিচালনা করে। একদলীয় ব্যবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা কঠোরভাবে মেনে চলা হয়। বর্তমানে রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, কিউবা প্রভৃতি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একদলীয় ব্যবস্থা প্রচলিত।উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. লিউ বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভিন্ন ভিন্ন আদর্শ দেখে মুগ্ধ হন। কিন্তু তার দেশের দলব্যবস্থার কথা চিন্তা করে কষ্ট পান। তার মতে অনেক দল থাকার কারণে বাংলাদেশের মানুষ রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন। যেহেতু মি. লিউ একজন চীনা নাগরিক তাই বলা যায়, যে তার দেশে একদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান। কেননা চীন একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আর সেখানে কমিউনিস্ট পার্টি ছাড়া অন্য কোনো দলের উপস্থিতি নেই।সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, মি. লিউ-এর দেশে একদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান।