উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যক্তির আচরণে সম্মোহনী নেতৃত্বের প্রকাশ লক্ষ করা যায়।কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলের নেতা কতখানি গুণের অধিকারী এবং তা অন্যকে কতখানি প্রভাবিত করতে পারে পৌরনীতিতে তাকেই নেতৃত্ব বলা হয়। নেতৃত্বের প্রকৃতি, উৎস, নেতার ব্যক্তিত্ব, বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলির ওপর ভিত্তি করে নেতৃত্বকে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়। সম্মোহনী নেতৃত্ব এর মধ্যে অন্যতম।উদ্দীপকের জনাব জামাল আহমেদ তার নানান গুণাবলির জন্য জনসাধারণের কাছে বিশেষ সম্মানিত ব্যক্তিত্বে সুপরিচিত। চারিত্রিক দৃঢ়তা, সাহসিকতা ও বাগ্মিতার জন্য জনগণ তার প্রতি মুগ্ধ। এর মাধ্যমে সম্মোহনী নেতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কোনো বিশেষ নেতা যখন তার বক্তব্য ও কাজ দ্বারা জনগণকে ভীষণভাবে সম্মোহিত, অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হন তখন সেই নেতৃত্বকে 'সম্মোহনী নেতৃত্ব' বা 'জাদুকরী নেতৃত্ব' বলা হয়। এ ধরনের নেতৃবৃন্দ তীব্র আকর্ষণ শক্তির অধিকারী এবং জনগণ তাদের প্রতি অন্ধ আনুগত্য প্রদর্শন করে। সম্মোহন বলতে কোনো ব্যক্তির বিশেষ ব্যক্তিত্ব ও গুণাবলিকে বোঝানো হয়। এ বিশেষ গুণাবলিই সম্মোহনী শক্তিসম্পন্ন নেতাকে সাধারণ জনগণের থেকে পৃথক করে। মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন সম্মোহনী নেতৃত্বের অধিকারী।