সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জনাব রাফাতের গুণাবলির ভূমিকা অনস্বীকার্য।সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দক্ষ, নৈতিক ও জনআস্থাভাজন নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন নেতার বক্তৃতা, চিন্তাশক্তি ও ব্যক্তিত্ব যদি জনসাধারণকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তাদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়, তবে তিনি সুশাসনের পথপ্রদর্শক হয়ে উঠতে পারেন। এই গুণাবলি নেতৃত্বকে জনকল্যাণে নিয়োজিত রাখে।
উদ্দীপকের রাফাত সাহেব তাঁর বুদ্ধিমত্তা, বক্তৃতা ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে সংগঠনের সদস্যদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। এই গুণাবলি নেতৃত্বের জন্য অপরিহার্য। কারণ, জনপ্রিয়তা, আস্থাভাজনতা ও নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠা- এই তিনটি উপাদান নেতৃত্বের বৈধতা অর্জনে সহায়ক হয়। যখন একজন নেতা জনগণের আস্থাভাজন হন, তখন তিনি তাদের মতামত, চাহিদা ও কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এর ফলে নেতৃত্বে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সুশাসনের মূল উপাদান। যদি রাফাত সাহেব তার গুণাবলি ব্যবহার করে স্বজনপ্রীতি, চাটুকারিতা বা স্বার্থপরতা থেকে বিরত থেকে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে তিনি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। পাশাপাশি নেতৃত্বের সদিচ্ছা থাকলে আইনের শাসন, মানবাধিকার রক্ষা ও বিকেন্দ্রীকরণ সম্ভব হয়, যা একটি রাষ্ট্র বা সংগঠনের সুপরিচালনার জন্য অপরিহার্য। রাফাত সাহেবের মতো গুণী নেতার নেতৃত্বে একটি সংগঠন সুশাসনের মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে।সুতরাং বলা যায়, সুসংহত নেতৃত্ব এবং নৈতিকতা সম্পন্ন গুণাবলিই একটি সংগঠন বা রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল চালিকাশক্তি। জনাব রাফাত সে ধরনের নেতৃত্ব প্রদানে সক্ষম বলে মনে হয়।