শেয়ারFacebookWhatsApp

আনিসের নেতৃত্ব সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক- তুমি কি বক্তব্যের এ সাথে একমত? যুক্তি দেখাও।

উত্তর: আনিস উত্তম নেতৃত্বের অধিকারী। তাই তার নেতৃত্ব সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক বলে আমি মনে করি।একটি দেশ, দল, সমাজ ও একদল মানুষকে সার্বিক নির্দেশনার মাধ্যমে সুনিদিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালনা করাই হচ্ছে নেতৃত্ব। সাধারণভাবে নেতার গুণাবলিকে নেতৃত্ব বলে। নেতার উত্তম গুণাবলিই একটি জাতিকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারে। আর সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দক্ষ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। আনিস উত্তম ও দক্ষ নেতৃত্বের অধিকারী। তাই তিনিও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।আনিস একটি রাজনৈতিক দলের নেতা। তিনি তার কথা ও কাজ দ্বারা জনগণের বিশ্বাস অর্জন করেছেন। দেশপ্রেম ও নৈতিকতার আদর্শে তিনি জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। অর্থাৎ তিনি একজন আদর্শ নেতা। তার মতো নেতৃত্বের অধিকারীরাই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন গণতন্ত্রের ভিত। শক্তিশালী করা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ঐক্য, নাগরিক সুখ ও সমৃদ্ধি। আর যোগ্য নেতৃত্বই এসব দিকে খেয়াল রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। তারা জনগণের সর্বাধিক কল্যাণ নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। উত্তম নেতৃত্ব সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য। শাসনব্যবস্থার সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। সরকারি কর্মকান্ডে নাগরিকের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের নেতারা সদা তৎপর থাকেন। সুশাসন নিশ্চিত করতে দক্ষ ও যোগ্য নেতারা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন। তারা নিরিক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষমতার ভারসাম্য, আইনসভা কর্তৃক নিযুক্ত পর্যবেক্ষক দল, বিধিবদ্ধ সংস্থা এবং জনগণের সমন্বয়ে কৌশল নির্ধারণ করে সুশাসন বিকাশে অবদান রাখেন। মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা, নারী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে উত্তম নেতৃত্ব সজাগ দৃষ্টি রাখে। ফলে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভবপর হয়।পরিশেষে বলা যায়, উত্তম ও যোগ্য নেতারা দেশ ও জাতির কান্ডারি। তাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, সমাজ অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যায় এবং মানুষ সুখ-সমৃদ্ধির সাথে বসবাস করতে পারে। তাই বলা যায়, আনিসের নেতৃত্ব সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।

HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল

আনিসের নেতৃত্ব সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক- তুমি কি বক্তব্যের এ সাথে এক…

উদ্দীপক

স্বেচ্ছাচারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য আনিস গ্রামের যুবকদের একত্রিত করে একটি সংগঠন তৈরি করে। ক্রমেই সংগঠনটির কর্মকাণ্ড ইউনিয়ন জুড়ে বিস্তৃত হয় এবং তাদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। সবাই আনিসের কথা ও কর্মে বিশ্বাস স্থাপন করে। তার নৈতিকতা ও দেশপ্রেম সবাইকে মুগ্ধ করে। পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে তার সংগঠনটি অংশগ্রহণ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

Dhaka · 2017

উত্তর

পৌরনীতি হলো রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যা নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করে। আর রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত সকল প্রতিষ্ঠানে আইনের শাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই হলো সুশাসন।

উত্তর

সরকারি কর্মচারীবৃন্দ বা আমলারা আইনসভার প্রণীত আইনের মূল কাঠামোর আলোকে এবং আইনের ব্যাখ্যা ও উপ-আইনের সাহায্যে আইন প্রণয়নে সহায়তা করে। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। কিন্তু বর্তমান বৃহৎ রাষ্ট্রের জন্য বহুসংখ্যক আইন বিস্তারিতভাবে রচনা করা আইন সভার পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই আইনসভায় উপস্থাপিত খসড়া বিলের অধিকাংশই আমলারা প্রস্তুত করে থাকেন। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত বিষয়, অর্থ- ব্যাংক-বিমা সম্পর্কিত বিষয়ে খসড়া বিল তৈরিতে আইন ও অর্থমন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভূমিকা থাকে। তাছাড়া রাষ্ট্রের জটিল প্রকৃতির আইন প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় কলাকৌশলগত জ্ঞান, বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা রাজনৈতিক প্রশাসকদের থাকে না। ফলে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে আইনসভা অনেক সময় আমলাদের ওপর নির্ভরশীল থাকে। এক্ষেত্রে আমলাদেরকেই এসকল দায়িত্ব পালন করতে হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত আনিসের সংগঠনটির সাথে আমার পঠিত রাজনৈতিক দলের সাদৃশ্য রয়েছে। আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো রাজনৈতিক দল। রাজনৈতিক দলই প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। যখন একদল লোক সংঘবন্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সমস্যাবলি সম্পর্কে একমত হয়ে সমস্যা সমাধানের জন্য কর্মসূচি প্রণয়ন করে, জনমত গঠন করে এবং নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠনে অংশগ্রহণ করে তাকে রাজনৈতিক দল বলে। আনিসের সংগঠনটির মধ্যে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।আনিস এলাকার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কিছু যুবককে ঐক্যবন্ধ করে এবং একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। কিছু কর্মসূচি প্রণয়ন করে তিনি এর কার্যক্রম বৃদ্ধি করেন এবং জনমত আদায়ের মাধ্যমে সংগঠনের প্রতি জনসমর্থন আদায় করেন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেন। রাজনৈতিক দলের সদস্যরাও সুনিদিষ্ট নীতির ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানে কর্মসূচি প্রণয়ন করে। কর্মসূচির প্রতি জনসমর্থন আদায় করে এবং পরবর্তীতে কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার গঠন করতে নির্বাচনে অংশ নেয়। রাজনৈতিক দল জাতীয় স্বার্থে কাজ করে এবং দেশ ও দেশবাসীর সমসাময়িক সমস্যা সম্পর্কে অবিরত আলাপ, আলোচনার মাধ্যমে দলের মতাদর্শের অনুকূলে জনমত আদায়ের চেষ্টা করে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, বৈশিষ্ট্য ও কর্মসূচিগত দিক দিয়ে আনিসের সংগঠনটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করছে।

উত্তর

আনিস উত্তম নেতৃত্বের অধিকারী। তাই তার নেতৃত্ব সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক বলে আমি মনে করি।একটি দেশ, দল, সমাজ ও একদল মানুষকে সার্বিক নির্দেশনার মাধ্যমে সুনিদিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালনা করাই হচ্ছে নেতৃত্ব। সাধারণভাবে নেতার গুণাবলিকে নেতৃত্ব বলে। নেতার উত্তম গুণাবলিই একটি জাতিকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারে। আর সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দক্ষ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। আনিস উত্তম ও দক্ষ নেতৃত্বের অধিকারী। তাই তিনিও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।আনিস একটি রাজনৈতিক দলের নেতা। তিনি তার কথা ও কাজ দ্বারা জনগণের বিশ্বাস অর্জন করেছেন। দেশপ্রেম ও নৈতিকতার আদর্শে তিনি জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। অর্থাৎ তিনি একজন আদর্শ নেতা। তার মতো নেতৃত্বের অধিকারীরাই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন গণতন্ত্রের ভিত। শক্তিশালী করা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ঐক্য, নাগরিক সুখ ও সমৃদ্ধি। আর যোগ্য নেতৃত্বই এসব দিকে খেয়াল রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। তারা জনগণের সর্বাধিক কল্যাণ নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। উত্তম নেতৃত্ব সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য। শাসনব্যবস্থার সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। সরকারি কর্মকান্ডে নাগরিকের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের নেতারা সদা তৎপর থাকেন। সুশাসন নিশ্চিত করতে দক্ষ ও যোগ্য নেতারা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন। তারা নিরিক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষমতার ভারসাম্য, আইনসভা কর্তৃক নিযুক্ত পর্যবেক্ষক দল, বিধিবদ্ধ সংস্থা এবং জনগণের সমন্বয়ে কৌশল নির্ধারণ করে সুশাসন বিকাশে অবদান রাখেন। মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা, নারী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে উত্তম নেতৃত্ব সজাগ দৃষ্টি রাখে। ফলে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভবপর হয়।পরিশেষে বলা যায়, উত্তম ও যোগ্য নেতারা দেশ ও জাতির কান্ডারি। তাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, সমাজ অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যায় এবং মানুষ সুখ-সমৃদ্ধির সাথে বসবাস করতে পারে। তাই বলা যায়, আনিসের নেতৃত্ব সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।
HSCCivics 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.ISP এর পূর্ণরূপ কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে। উদ্দীপকে নিচের কোন আইনটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.G < C অর্থ-

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোনটি সরকারি আইন নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ২০১৬- এ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি হ্যাকারদের দ্বারা কীভাবে সংঘটিত হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
ii. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির অনুপস্থিত
iii. জনগণ রাষ্ট্রের করণীয় নির্ধারণ করে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-
i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ii. জীবনধারণের স্বাধীনতা
iii. চলাফেরার স্বাধীনতা নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. উদ্দীপকে যে নীতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তার নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. কোন রাষ্ট্রে এ ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12."An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ISP এর পূর্ণরূপ কী?কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইনG < C অর্থ-কোনটি সরকারি আইন নয়?হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাবাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতাii. জীবনধারণের স্বাধীনউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছেউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে"An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

আনিসের নেতৃত্ব সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক- তুমি কি বক্তব্যের এ সাথে এক… | Prosthuti