সুনাগরিক সৃষ্টিতে উক্ত বিষয়টির গুরুত্ব আলোচনা কর।
উত্তর: সুনাগরিক সৃষ্টিতে উক্ত বিষয় অর্থাৎ পৌরনীতি ও সুশাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। এর প্রধান আলোচ্য বিষয় নাগরিক ও নাগরিকতা। পৌরনীতি শুধু নাগরিকের অধিকার নিয়ে নয়, বরং নাগরিকের কর্তব্য নিয়েও আলোচনা করে। আর এসব বিষয় সুনাগরিক সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। উদ্দীপকে সুনাগরিকের গুণাবলি সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য পৌরনীতি ও সুশাসন অধ্যয়নের ওপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। কেননা পৌরনীতি ও সুশাসন সুনাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য পর্যালোচনা করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাষ্ট্র ও নাগরিকের পারস্পরিক সম্পর্ক অধিকার ও কর্তব্য দ্বারা নির্ধারিত। এসব অধিকার ভোগ ও কর্তব্য পালনে নাগরিককে হতে হয় সুনাগরিক। সুনাগরিকতা অর্জনের তিনটি অপরিহার্য গুণ হচ্ছে বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম। একজন নাগরিকের মধ্যে এ গুণগুলোর পরিপূর্ণ সমন্বয় ঘটলেই কেবল সে দেশ ও জাতি সম্পর্কে সচেতনতা অর্জনে সক্ষম হবে। পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ নাগরিককে এ তিনটি গুণ লাভ করতে সহায়তা করে। এছাড়া পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ করে নাগরিকরা দায়িত্বশীল, কর্তব্যনিষ্ঠ, স্বচ্ছ ও উদার মানসিকতাসম্পন্ন হয়। তাদের মধ্যে গোঁড়ামি, সাম্প্রদায়িকতা, সংকীর্ণতা ও কুসংস্কার দূর হয়। অর্থাৎ নাগরিকদের দৃষ্টিভঙ্গি সম্প্রসারিত ও উদার হয়। দায়িত্ব ও কর্তব্যপরায়ণতা অর্জনের মাধ্যমে নাগরিকরা সুনাগরিকে পরিণত হয় । পরিশেষে বলা যায়, পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকের দায়িত্ব-কর্তব্য এবং সুনাগরিকের গুণাবলি সম্পর্কে পর্যালোচনা করে, যা সুনাগরিক সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল
সুনাগরিক সৃষ্টিতে উক্ত বিষয়টির গুরুত্ব আলোচনা কর।
উদ্দীপক
Jessore · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর