'ক' রাষ্ট্রের জনগণ সুশাসনের প্রভাবে সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। শাসন প্রক্রিয়া সুশৃংখল ও কাঠামোবদ্ধ একটি রূপ হল সুশাসন। এখানে সুস্পষ্ট ভাবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য, রাষ্ট্র ও জনগণ সম্পর্কে, জনগণের দায়িত্ব,ও কর্তব্য, নেতা-জনতা,প্রশাসন, সুশীল সমাজ সহ বিভিন্ন দিক স্থান পায়। শাসন ব্যবস্থায় প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সকল সমস্যার সমাধান করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দায়িত্বশীলতা কার্যকর ও সফলতা লাভ করে সুশাসনের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের আইনের শাসন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্র উন্নয়নে ত্বরান্বিত হয়।জনগণ তাদের সর্বোচ্চ অধিকার ভোগের সফলতা লাভ করে। উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রের জনগণ তাদের দেশে আইনের শাসন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ইত্যাদির প্রভাবে সুখে শান্তিতে বাস করে। এর মাধ্যমে সহজে অনুধাবন করা যায় 'ক' রাষ্ট্রের জনগণ সুশাসনের প্রভাবে সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। কারণ একটি রাষ্ট্র সুশাসন কার্যকর হলে এর জনগণের শাসনের ভিত্তি তথা গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়। ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব, প্রশাসনিক দুর্নীতি প্রভূতি দূরীভূত হয়। ফলে জনগণ বাধাহীন ভাবে তাদের চাহিদাগুলো মিটিয়ে স্বাচ্ছন্দে বসবাস করতে সক্ষম হয়।