উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় অর্থাৎ পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান বিশ্ব সভ্যতার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে -
পৌরনীতির রাষ্ট্রের নাগরিক ও নাগরিকতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বরূপ সম্পর্কিত জ্ঞান। বর্তমান যুগের রাষ্ট্র ও সরকার শুধু শাসন কাজই করেনা বরং অন্য রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ সহ নাগরিকের সার্বিক বিষয় নিয়ে কাজ করে। উদ্দীপকে জনাব আবুল কালাম এ কারণেই শিক্ষার্থীদের পৌরনীতি ও সুশাসন সম্পর্কে ধারণা নিতে বলেছেন। তবে পৌরনীতি শুধু রাষ্ট্র, সরকার, নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য নিয়েই আলোচনা করে না বরং পৌরনীতি নাগরিকের অতীত, বর্তমান ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার পাশাপাশি নাগরিকের স্থানীয়, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় বিষয় নিয়ে ও আলোচনা করে। কেননা রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে একজন নাগরিক বিশ্বসমাজেরও সদস্য। কোনো রাষ্ট্রীয় বর্তমানে একাকী চলতে পারেনা। তাই প্রত্যেকটি পারস্পারিক সম্পর্কে বেড়াজাল সৃষ্টি করে বিশ্ব সমাজ গঠন করেছে। ফলের রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে একজন নাগরিক বিশ্ব সমাজের প্রকার অধিকার ও কর্তব্যবোধ আবদ্ধ। নাগরিকের নাগরিকতা আন্তর্জাতিকতায় নাগরিক বিভিন্ন সংস্থার সদস্য হতে পারে আন্তর্জাতিকভাবে উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে পারে। উপরিউক্ত এই সমস্ত বিষয়ের পৌরনীতি পাঠের মাধ্যমে সম্ভব। কেননা এই সমস্ত বিষয়েই পৌরনীতি পাঠের মূল বিষয়বস্তু হিসেবে পরিচিত।
পরিশেষে আমি মনে করি, উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় অর্থাৎ পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান বিশ্ব সভ্যতার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।