উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় তথা সুশাসন গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক -মন্তব্যটি যথার্থ।
বর্তমান বিশ্বের রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রচলিত শাসন ব্যবস্থার মধ্যে গণতন্ত্রের গ্রহণযোগ্যতা সর্বাধিক। জনগণের সার্বভৌমত্ব স্বীকৃত হয় বলে সারা বিশ্বে সর্বজনীনস্বীকৃত শাসনব্যবস্থা।আইনের শাসনকে সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হলো সুশাসন। গণতন্ত্রের সফলতার জন্য সুশাসন নিশ্চিত করার জরুরী। সুশাসনের ফলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চার অভাব ইত্যাদি দূরীকরণ কেবল সুশাসনের মাধ্যমে সম্ভব। কারণ শাসন প্রক্রিয়া সুশৃংখল ও কাঠামোবদ্ধ একটি রূপ হল সুশাসন।এখানে সুস্পষ্ট ভাবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য, রাষ্ট্র ও জনগণের সম্পর্ক, জনগণের দায়িত্ব ও কর্তব্য,নেতা জনতা ও রাষ্ট্রের অন্তঃসম্পর্ক, প্রশাসন-সুশীলসমাজ ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন দিক বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ ভিত্তিক স্থান পায়। শাসন ব্যবস্থায় প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সকল সমস্যার সমাধান করে স্বচ্ছতা। জবাবদিহি, দায়িত্বশীলতা, কার্যকর ও সফলতা লাভ করে সুশাসনের মাধ্যমে। এভাবে সুজাতন্ত্র জনগণের মৌলিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করে গণতন্ত্রের সর্বোচ্চ সুফল বয়ে আনতে সহায়তা করে।
আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, সুশাসনের মাধ্যমিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব হয়।