'ক' রাষ্ট্রে সুশাসন বিদ্যমান।
বর্তমান বিশ্বে একটি আধুনিক ও জনপ্রিয় ধারণা হলো সুশাসন। সুশাসন হলো এক ধরনের শাসন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্ষমতা সুষ্ঠুভাবে চর্চা করা হয়। এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণ স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে, সরকারের নীতি ও কর্মকান্ড সম্পর্কে অবগত থাকে এবং নারী ও পুরুষ স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারে। এটি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করে এবং অর্থ সামাজিক উন্নতির পাশাপাশি মানবাধিকারের প্রাধান্য দেয়। এরূপ শাসনব্যবস্থা জনগণ সর্বদা শ্রদ্ধাশীল থাকে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, 'ক' রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা স্বচ্ছ, জবাবদিহি, দায়িত্বশীল ও ন্যায়পরায়ন। যে কারণে এটি নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করে। ফলে রাষ্ট্রের প্রচলিত ব্যবস্থার প্রতি জনগণ আস্থাশীল। 'ক' রাষ্ট্রের রূপ বর্ণনায় সহজে অনুমান করা যায় 'ক' রাষ্ট্রের সুশাসন বিদ্যমান। কেননা একটি রাষ্ট্রে তখনই সুশাসন নিশ্চিত হয় যখন উক্ত রাষ্ট্রের সরকার ও জনগণ পরস্পর রাষ্ট্রের স্বার্থে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে। এতে করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত হয়। সুতরাং বলা যায় 'ক' রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় সুশাসন বিদ্যমান।