উদ্দীপকে উল্লিখিত পছন্দের বিষয়টি হলো পৌরনীতি ও সুশাসন। কেননা, উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ বিষয়টি একজন আদর্শ ও দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে বিধায় নিশ্চিতভাবে এটি পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়কে নির্দেশ করে।পৌরনীতি ও সুশাসন যেহেতু নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান, তাই এর পরিধি ততটা বিস্তৃত- যতটা নাগরিক জীবন বিস্তৃত রয়েছে। নাগরিকতাবিষয়ক আলোচনা পৌরনীতির মুখ্য আলোচ্য বিষয়। রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকদের কর্তব্য, অধিকার ও কর্তব্যের সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয় পৌরনীতির আলোচনার ক্ষেত্র। পৌরনীতি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলোচনা করে। পৌরনীতি রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন তত্ত্ব বা মতবাদ, রাষ্ট্রের কার্যাবলি এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন উপাদান নিয়ে আলোচনা করে। পৌরনীতি আইন, স্বাধীনতা, সাম্য ইত্যাদি বিমূর্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। পৌরনীতি নাগরিকতার স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিকসহ বৈদেশিক সম্পর্কের নীতি, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ ও এগুলোর উদ্দেশ্য, গঠন ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করে। পৌরনীতি নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আলোচনা করে। এছাড়াও পৌরনীতি প্রধান প্রধান রাজনৈতিক ঘটনা ও আন্দোলন এবং শাসনতান্ত্রিক বিকাশ সম্পর্কেও আলোচনা করে।উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত রাশেদ ও তাহসিন পছন্দের বিষয়টি হচ্ছে পৌরনীতি ও সুশাসন। এ বিষয়টি পাঠের মাধ্যমে একজন নাগরিক আদর্শ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।