উদ্দীপকে উল্লিখিত সোহানের পিতামাতা তাকে 'পৌরনীতি ও সুশাসন' বিষয়টি অধ্যয়নের কথা বলেছে।উদ্দীপকে সোহানার পিতামাতা সোহানাকে এমন একটি বিষয় অধ্যয়ন করার কথা বলে যে বিষয়টির মাধ্যমে রাষ্ট্র, সরকার, নাগরিকের অধিকার ও কতর্ব্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে এবং তাকে - একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে। অর্থাৎ বিষয়টি পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কেননা পৌরনীতি ও সুশাসনের বিস্তৃত পরিধি রাষ্ট্র, সরকার, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞানদান করে এবং সুনাগরিকত্ব হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।পৌরনীতি ও সুশাসন একটি নাগরিকতা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। এর সংজ্ঞাসমূহ বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে- নাগরিকের জীবন ও কার্যাবলি যতদূর বিস্তৃত পৌরনীতির আলোচ্য বিষয় ও পরিধি ততদূর প্রসারিত। নাগরিকতা ও সমাজজীবন পৌরনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু। নাগরিকতার উদ্ভব, ক্রমবিকাশ ও বিবর্তন, সুনাগরিকতা, সুনাগরিকের গুণাবলি, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে। আবার সমাজ, সামাজিক পরিবর্তন, সামাজিক মূল্যবোধ, রাষ্ট্রের উৎপত্তি ও বিকাশ, রাষ্ট্রের কার্যাবলি বিষয়ক আলোচনা 'পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিভুক্ত। পৌরনীতি আইন, স্বাধীনতা, সাম্য ইত্যাদি বিষয়ক আলোচনা করে। নাগরিকতার স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিকসমূহ, বৈদেশিক সম্পর্কের নীতি, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ এগুলোর গঠন, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা পৌরনীতির পরিধিভুক্ত। পৌরনীতি নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে। এছাড়াও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, সরকার, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের প্রকৃতি, সংবিধান, নির্বাচন ও নির্বাচকমণ্ডলী, রাজনৈতিক দল ও দলসমূহের কার্যাবলি ও ভূমিকা নিয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করে। তাই এসব বিষয় পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিভুক্ত।পরিশেষে বলা যায়, সোহানার পিতামাতা তাকে 'পৌরনীতি ও সশাসন' অধ্যয়নের কথা বলেছে.।