'ক' রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
যে শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ ও প্রশাসনের জবাবদিহিতা, বৈধতা, স্বচ্ছতা থাকে এবং বাক-স্বাধীনতাসহ সব রাজনৈতিক স্বাধীনতা সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকে তাকে সুশাসন বলে। সুশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রশাসনিক কাজের স্বচ্ছতা, সরকারের বৈধতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জনমতের প্রতি গুরুত্ব। চলমান বিশ্বে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসনের গুরুত্ব সর্বজনস্বীকৃত। সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বিরাজ করে, জনগণের বাক-স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হয় এবং সরকার ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় হয়। এর ফলে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বিরাজ করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, প্রফেসর গোলাম রব্বানী 'ক' রাষ্ট্র সফর করেন। তিনি দেখতে পান সেখানকার রাজনৈতিক ব্যবস্থায় জনগণের মতামত প্রাধান্য পায়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। অর্থাৎ 'ক' রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসনের অন্যতম উপাদান জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা পরিলক্ষিত হয়। তাই বলা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।