শেয়ারFacebookWhatsApp

সজীবকে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কোন বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের সজীব একজন সরকারি কর্মকর্তা হতে চায়। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সজীবকে যেসব বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে সেগুলো হচ্ছে- ১. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা চালাতে হবে। কারণ, আইনের শাসন ব্যতীত সুশাসন প্রতিষ্ঠা অকল্পনীয়। ২ . নাগরিক সেবার যে অংশে সজীব নিয়োগপ্রাপ্ত হবে তার মান ও সেবার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। এটি সজীবের একক স্থান হতে অত্যাবশ্যকীয় কাজ। কারণ প্রত্যেকের দায়িত্বশীলতার মধ্যেই সুশাসনের পথ নিহিত। ৩. সজীব তার কর্মক্ষেত্রে ই-গভর্নেন্স চালু করতে পারে। আবার সজীব একজন নাগরিক হিসেবেও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে সে গুরুত্বারোপ করতে পারে যেসব বিষয়ে, তা হলো- স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিন্তার ঊর্ধ্বে থাকা, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আইন মেনে চলা; সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা করা, অন্যের অধিকার ও মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, নৈতিকতা ও আদর্শের অনুশীলন করা ইত্যাদি।

HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল

সজীবকে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কোন বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে ব্…

উদ্দীপক

সজীব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে। সে একটি দৈনিক পত্রিকার সাক্ষাৎকারে বলে যে সে একজন সরকারি কর্মকর্তা হতে চায়। সে যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে গতিশীল সুশাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়। সে বলে সর্বত্র ই-গভর্নেন্স চালু করতে পারলে দ্রুত দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। [বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, ঢাকা]

উত্তর

ম্যাককরনীর মতে, সুশাসন হলো রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সমাজের সাথে জনগণের এবং শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ক।

উত্তর

আইনের শাসন বলতে আইনের চোখে সবাই সমান এবং সবকিছুর উপরে আইনের প্রাধান্যের স্বীকৃতিকে বোঝায়। আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি এবং ছোট-বড় নির্বিশেষে সবাই আইনের কাছে সমান। যে কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে-এটি আইনের শাসনের বিধান। আইনের শাসন ব্যক্তির সাম্য ও স্বাধীনতার রক্ষাকবচ।

উত্তর

উদ্দীপকের সজীব একজন সরকারি কর্মকর্তা হতে চায়। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সজীবকে যেসব বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে সেগুলো হচ্ছে- ১. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা চালাতে হবে। কারণ, আইনের শাসন ব্যতীত সুশাসন প্রতিষ্ঠা অকল্পনীয়। ২ . নাগরিক সেবার যে অংশে সজীব নিয়োগপ্রাপ্ত হবে তার মান ও সেবার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। এটি সজীবের একক স্থান হতে অত্যাবশ্যকীয় কাজ। কারণ প্রত্যেকের দায়িত্বশীলতার মধ্যেই সুশাসনের পথ নিহিত। ৩. সজীব তার কর্মক্ষেত্রে ই-গভর্নেন্স চালু করতে পারে। আবার সজীব একজন নাগরিক হিসেবেও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে সে গুরুত্বারোপ করতে পারে যেসব বিষয়ে, তা হলো- স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিন্তার ঊর্ধ্বে থাকা, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আইন মেনে চলা; সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা করা, অন্যের অধিকার ও মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, নৈতিকতা ও আদর্শের অনুশীলন করা ইত্যাদি।

উত্তর

সুশাসনের মূলকথা হলো আইনের শাসন, অংশগ্রহণ, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের শাসন। ই-গভর্নেন্সের দ্বারা পরিচালিত ই-গভর্নমেন্ট শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ, সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত-করে। তাই ই-গভর্নমেন্ট সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি বড় উপায় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক।সুশাসনের জন্য প্রয়োজন হলো প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রচলিত আইন প্রয়োগের চেয়ে ই-গভর্নেন্স বেশি কার্যকরী। কেননা এ পদ্ধতিতে কোথাও কোনো অসামঞ্জস্যতা থাকলে তা খুব সহজেই খুঁজে বের করা সম্ভব। আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতিগত 'গোঁজামিল' দেওয়ার কোনো সুযোগ ই-গভর্নেন্সে থাকে না। প্রত্যেকের কাজের প্রয়োজনীয় দলিল- বিভিন্ন উপায়ে সংরক্ষিত থাকে। তাই ফাঁকি দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। যে কারণে ই-গভর্নেন্সে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা রক্ষা করা সহজ, যা সুশাসনের জন্য আবশ্যক। সুশাসনের প্রাণ হলো শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ। প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থাতে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমেও সবসময় জনমতের সুষ্ঠ প্রতিফলন ঘটে না। কিন্তু ই-গভর্নেন্সে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে মতামত প্রদানের সুযোগ পায়। এদিক থেকে ই-গভর্নেন্স হলো সবচেয়ে অংশগ্রহণমূলক একটি পদ্ধতি। দুর্নীতি দমন হলো সুশাসনের অন্যতম প্রত্যয়। ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে দুর্নীতিকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে সুষ্ঠু বণ্টন করা যায় এ শাসনের মাধ্যমে। ই- গভর্নেন্স সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর স্বার্থের সমন্বয়ে দক্ষতা ও সফলতা অর্জন করে থাকে। তাছাড়া জনমত গঠনের আধুনিক ও শক্তিশালী মাধ্যম হলো ই-শাসনব্যবস্থা। সুতরাং বলা যায়, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ই- গভর্নমেন্ট অসামান্য ভূমিকা রাখতে পারে।
HSCCivics 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.ISP এর পূর্ণরূপ কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে। উদ্দীপকে নিচের কোন আইনটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.G < C অর্থ-

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোনটি সরকারি আইন নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ২০১৬- এ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি হ্যাকারদের দ্বারা কীভাবে সংঘটিত হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
ii. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির অনুপস্থিত
iii. জনগণ রাষ্ট্রের করণীয় নির্ধারণ করে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-
i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ii. জীবনধারণের স্বাধীনতা
iii. চলাফেরার স্বাধীনতা নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. উদ্দীপকে যে নীতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তার নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. কোন রাষ্ট্রে এ ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12."An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ISP এর পূর্ণরূপ কী?কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইনG < C অর্থ-কোনটি সরকারি আইন নয়?হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাবাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতাii. জীবনধারণের স্বাধীনউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছেউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে"An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।