সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ই-গভর্নমেন্ট কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: সুশাসনের মূলকথা হলো আইনের শাসন, অংশগ্রহণ, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের শাসন। ই-গভর্নেন্সের দ্বারা পরিচালিত ই-গভর্নমেন্ট শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ, সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত-করে। তাই ই-গভর্নমেন্ট সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি বড় উপায় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক।সুশাসনের জন্য প্রয়োজন হলো প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রচলিত আইন প্রয়োগের চেয়ে ই-গভর্নেন্স বেশি কার্যকরী। কেননা এ পদ্ধতিতে কোথাও কোনো অসামঞ্জস্যতা থাকলে তা খুব সহজেই খুঁজে বের করা সম্ভব। আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতিগত 'গোঁজামিল' দেওয়ার কোনো সুযোগ ই-গভর্নেন্সে থাকে না। প্রত্যেকের কাজের প্রয়োজনীয় দলিল- বিভিন্ন উপায়ে সংরক্ষিত থাকে। তাই ফাঁকি দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। যে কারণে ই-গভর্নেন্সে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা রক্ষা করা সহজ, যা সুশাসনের জন্য আবশ্যক। সুশাসনের প্রাণ হলো শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ। প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থাতে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমেও সবসময় জনমতের সুষ্ঠ প্রতিফলন ঘটে না। কিন্তু ই-গভর্নেন্সে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে মতামত প্রদানের সুযোগ পায়। এদিক থেকে ই-গভর্নেন্স হলো সবচেয়ে অংশগ্রহণমূলক একটি পদ্ধতি। দুর্নীতি দমন হলো সুশাসনের অন্যতম প্রত্যয়। ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে দুর্নীতিকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে সুষ্ঠু বণ্টন করা যায় এ শাসনের মাধ্যমে। ই- গভর্নেন্স সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর স্বার্থের সমন্বয়ে দক্ষতা ও সফলতা অর্জন করে থাকে। তাছাড়া জনমত গঠনের আধুনিক ও শক্তিশালী মাধ্যম হলো ই-শাসনব্যবস্থা। সুতরাং বলা যায়, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ই- গভর্নমেন্ট অসামান্য ভূমিকা রাখতে পারে।
HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ই-গভর্নমেন্ট কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে- বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর