উল্লিখিত সমস্যা সমাধানে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে? মতামত দাও।
উত্তর: উল্লিখিত সমস্যা তথা সুশাসন প্রতিষ্ঠার সমস্যা সমাধানে নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।একটি দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা নির্ভর করে সে দেশের জনগণ কতটুকু সুশাসনের জন্য প্রস্তুত তার ওপর। জনগণের সচেতনতা, বিচক্ষণতা ও সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে রাষ্ট্রের উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা। তবে।সরকার যদি ইচ্ছা করে তাহলে কতিপয় বাধা অতিক্রম করে দেশে . সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে। সুশাসনের জন্য প্রয়োজন সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা। তবে নিম্নোক্ত উপায়ে একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যায়-১. সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দেশের আইনসভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আইনসভা বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে।২. আইনসভার আইনগত ক্ষমতা ও কার্যক্ষেত্র অনুযায়ী যাতে কাজ করতে পারে এবং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, সরকারকে তা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে যেকোনো দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।৩. দেশের জনগণের মধ্যে সচেতনতা ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশ ঘটানোর মাধ্যমেও দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।৪. দুর্নীতি দমনে সরকারকে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকেও যথেষ্ট ক্ষমতা দিয়ে দুর্নীতি রোধ করার মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।৫. রাষ্ট্রের প্রশাসন ব্যবস্থা থেকে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিরোধ করার মাধ্যমে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে।সর্বোপরি উদ্দীপকে বর্ণিত 'X [গণিত] রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উপরিউক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ ছাড়াও রাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে যদি বিবেকবোধ ও সচেতনতাবোধ জাগ্রত করা যায় তাহলে খুব সহজেই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল
উল্লিখিত সমস্যা সমাধানে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে? মতামত…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর