চিত্রের প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত স্থানে সুশাসন বসবে।
সুশাসন হলো অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল ও ন্যায়পরায়ণ শাসনব্যবস্থা। সুশাসনের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলতে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন, প্রশাসনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা, স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি শর্তগুলো পূরণ করতে হয়। সুশাসন আইনের শাসন নিশ্চিত করে এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অগ্রগতিকে প্রাধান্য দেয়, সুশাসন নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রের সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করে।
চিত্রে অংশগ্রহণমূলক, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা দ্বারা সুশাসনের বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করা হয়েছে। এসব বৈশিষ্ট্য ছাড়াও সুশাসনের আরো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন— সরকারের বৈধতা, সুশীল সমাজের ভূমিকা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাম্য, সংবেদনশীলতা, লিঙ্গ বৈষম্যের অবসান প্রভৃতি সুশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এছাড়াও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রভৃতি সুশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত। এ বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জন করার মধ্য দিয়েই কোনো রাষ্ট্র সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।