উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' রাষ্ট্রটির অবস্থা বিশ্লেষণ করে বলা যায় এখানে সুশাসন অনুপস্থিত। অপরদিকে 'খ' রাষ্ট্রটিতে আইনের শাসন বিদ্যমান। আর যেখানে আইনের শাসন বিদ্যমান সেখানে সুশাসন থাকবে এটাই স্বাভাবিক। অতএব বলা যায়, দুটি রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায় বেশ পার্থক্য রয়েছে।উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে 'খ' নামক রাষ্ট্রে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আইনের শাসন বিদ্যমান। আর যেখানে আইনের শাসন বিদ্যমান সেখানে সুশাসনের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যও সমানভাবে কাজ করবে। সুশাসনের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- প্রতিনিধিত্বশীল শাসন ব্যবস্থা, ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ, দায়বদ্ধ শাসন বিভাগ, আইন বিভাগের কার্যকর ভূমিকা, স্বাধীন বিচার বিভাগ, দক্ষ আমলাতন্ত্র, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকারের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, কার্যকর গণতান্ত্রিক দলব্যবস্থা, সক্রিয় সুশীল সমাজ প্রভৃতি।অতএব বলা যায়, 'খ' রাষ্ট্রটিতে সুশাসন বিদ্যমান। অপরদিকে 'ক' রাষ্ট্রটির অবস্থা 'খ' রাষ্ট্রের পুরোপুরি বিপরীত। অর্থাৎ 'ক' রাষ্ট্রে সুশাসনের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এই রাষ্ট্রটিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে, স্বজনপ্রীতি রোধ করতে হবে। পাশাপাশি সুশাসনের অন্যান্য যে সকল উপাদান রয়েছে। সেগুলোর চর্চাও করতে হবে। তাহলে 'ক' রাষ্ট্রটিতেও 'খ' রাষ্ট্রের মতো সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।