উদ্দীপকে উল্লিখিত আফ্রিকার 'ক' দেশটিতে সুশাসনের অভাব পরিলক্ষিত হয়।যে শাসনব্যবস্থায় প্রশাসনের জবাবদিহিতা, বৈধতা, স্বচ্ছতা, সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত থাকে তাকে সুশাসন বলে। সুশাসন দায়িত্বশীল, অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া; যা রাষ্ট্রে আইনের শাসন কায়েম করে। দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, দক্ষ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রদান, ক্ষমতার সুষ্ঠু ব্যবহার প্রভৃতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু উদ্দীপকে এর বিপরীত অবস্থা ফুটে উঠেছে, যা আফ্রিকার 'ক' দেশটিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায় সৃষ্টি করছে।উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দেশটিতে দুর্নীতি, অদক্ষতা, ক্ষমতার অপব্যবহার প্রভৃতি অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়, যা সুশাসনের অভাবকে নির্দেশ করে।কোনো দেশে সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে নাগরিক অধিকার সুরক্ষা ও সর্বাধিক জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা, আইনসভার সার্বভৌমত্ব, ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ, আইনের শাসন, অসাংবিধানিক শক্তির অবসান, শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য, মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম, সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রভৃতি নিশ্চিতকরণ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আবশ্যক। আর উদ্দীপকের 'ক' দেশটিতে এ সকল বিষয়েরই অভাব প্রতীয়মান হয়েছে।