উদ্দীপকের সজীব একজন সরকারি কর্মকর্তা হতে চায়। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সজীবকে যেসব বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে সেগুলো হচ্ছে-
১. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা চালাতে হবে। কারণ, আইনের শাসন ব্যতীত সুশাসন প্রতিষ্ঠা অকল্পনীয়।
২ . নাগরিক সেবার যে অংশে সজীব নিয়োগপ্রাপ্ত হবে তার মান ও সেবার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। এটি সজীবের একক স্থান হতে অত্যাবশ্যকীয় কাজ। কারণ প্রত্যেকের দায়িত্বশীলতার মধ্যেই সুশাসনের পথ নিহিত।
৩. সজীব তার কর্মক্ষেত্রে ই-গভর্নেন্স চালু করতে পারে। আবার সজীব একজন নাগরিক হিসেবেও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে সে গুরুত্বারোপ করতে পারে যেসব বিষয়ে, তা হলো- স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিন্তার ঊর্ধ্বে থাকা, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আইন মেনে চলা; সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা করা, অন্যের অধিকার ও মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, নৈতিকতা ও আদর্শের অনুশীলন করা ইত্যাদি।