উদ্দীপকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কথা বলা হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যেসব চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য,উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের গণতান্ত্রিক আচার-ব্যবহার ও দৈনন্দিন কর্মকান্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এসব মূল্যবোধ মানুষের ইচ্ছার একটি প্রধান মানদন্ড।গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রে বসবাসকারী মানুষের এসব মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আছে বলেই তারা এগুলোকে মেনে চলে। উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা, দেশপ্রেম, রাজনৈতিক সহনশীলতা, শৃঙ্খলাবোধ প্রভৃতি বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয়। উক্ত দেশের আইনসভার সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে সৌহার্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং জাতীয় স্বার্থে বিভিন্ন বিষয়ে সরকারকে সহযোগিতা করে। এ ধরনের মূল্যবোধ লালনের ফলে উক্ত দেশে ক্রমশ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। উদ্দীপকে এরূপ বর্ণনার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটেছে। কারণ এখানে যেসব গুণাবলীর কথা বলা হয়েছে তা সবই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সাথে সম্পৃক্ত। আর গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলতে গণতন্ত্রের সাথে সম্পৃক্ত কতগুলো নীতি, আদর্শ ও আচরণ বিধিকে নির্দেশ করে যেগুলো গণতন্ত্র গ্রামে জনগণ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক হয়। এসব বিবেচনায় বলা যায় উদ্দীপকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কথা বলা হয়েছে।