উদ্দীপকে রাজিয়া বেগম অর্থনৈতিক সাম্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। অর্থনৈতিক সাম্য বলতে দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুসারে আয় ও ধন-সম্পদে প্রত্যেক ব্যক্তির সুযোগ-সুবিধা লাভের সমতাকে বোঝায়। অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ সব সম্পদ সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া নয়; বরং জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব মানুষের সম্পাদিত কাজের ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুবিধা লাভই অর্থনৈতিক সাম্য। অর্থাৎ অর্থনৈতিক সাম্যের মূল কথা হচ্ছে, যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন। উদ্দীপকে রাজিয়া এ অর্থনৈতিক সাম্য থেকেই বঞ্চিত হয়েছেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, রাজিয়া বেগম ও রনি দু'জনই ইটভাটায় একই ধরনের কাজ করেন। কিন্তু দিন শেষে মজুরি নেওয়ার ক্ষেত্রে রনি পায় পাঁচশত টাকা, আর রাজিয়া বেগম পায় চারশত টাকা। অর্থাৎ দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী একই ধরনের কাজ করেও রাজিয়া বেগম রনির চেয়ে কম মজুরি পাচ্ছেন, যা অর্থনৈতিক সাম্যের ধারণার বিপরীত। তাই বলা যায়, রাজিয়া বেগম অর্থনৈতিক সাম্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।