উদ্দীপকের 'ক' নামক রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল।
জাতি-ধর্ম-বর্ণ ও পেশাগত কারণে যখন মানুষে মানুষে কোনো পার্থক্য করা হয় না, তখন তাকে সামাজিক সাম্য বলে। সামাজিক সাম্যের মূল কথা হলো সমাজে বসবাসরত সব মানুষ যোগ্যতা অনুযায়ী একই ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে।
উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, 'ক' নামক রাষ্ট্রটিতে বর্তমানে গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু একসময় সেখানকার কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি শ্বেতাঙ্গদের হাতে বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছিল। শ্বেতাঙ্গদের এই অনাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয় এবং এক পর্যায়ে বর্ণগত বৈষম্যের অবসান ঘটে। উল্লিখিত চিত্রটি সামাজিক বৈষম্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ । কেননা, সামাজিক সাম্যের মূল কথা হলো জাতি-ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সব মানুষকে সমান সুযোগ দেওয়া। কিন্তু উদ্দীপকের ঘটনাটি পুরোপুরি উল্টো। সেখানে বর্ণবাদের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল।