'ক' রাষ্ট্রের জনগণ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ভোগ করছেন।
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী জীবিকা নির্বাহের উপযুক্ত পরিবেশ প্রাপ্তি এবং দৈনন্দিন অভাব ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তিকে বোঝায়। ব্রিটিশ রাজনৈতিক তাত্ত্বিক, অর্থনীতিবিদ এবং লেখক হ্যারল্ড জোসেফ লাস্কির (Harold Joseph Laski) মতে, 'অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে প্রতিনিয়ত বেকারত্বের আশঙ্কা ও আগামীকালের অভাব থেকে মুক্তি এবং দৈনিক জীবিকার্জনের সুযোগ- সুবিধাকে বোঝায়।' যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী কাজ পাওয়া, ন্যায্য মজুরি লাভ, বেকার ও বৃদ্ধ বয়সে ভাতা পাবার অধিকার, অক্ষম অবস্থায় রাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রতিপালন প্রভৃতি অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত। ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশ এবং অন্যান্য স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা আবশ্যক।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের জনগণ জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি ও বেকারত্ব দূরীকরণ ইত্যাদি সুযোগ-সুবিধা লাভের অধিকার সংরক্ষণ করে। ফলে সে রাষ্ট্রে মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও জীবনে পূর্ণতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এসব বৈশিষ্ট্য থেকেই বলা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের জনগণ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা উপভোগ করছেন।