হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকে রহিমের আচরণ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ পদ্ধতিই হলো সুশাসন। সুশাসনের ফলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ, কাজের দীর্ঘসূত্রতা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতন্ত্র চর্চার অভাব ইত্যাদি দূরকরণে সুশাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন যোগ্য নেতৃত্ব, রাজনৈতিক সংহতি, গণমানুষের ক্ষমতায়ন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস, নাগরিক সেবা বৃদ্ধি, গণমাধ্যম ও বাক-স্বাধীনতা, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, সিটিজেন চার্টার প্রণয়ন ইত্যাদি। এছাড়াও জনপ্রশাসনের নিরপেক্ষ আচরণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, নিরপেক্ষ প্রশাসন, দুর্নীতিমুক্ত সরকারব্যবস্থা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। সামাজিক সমতা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতে সুশাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।উদ্দীপকে শিক্ষার্থী রহিম রাষ্ট্রীয় আইন মেনে চলে, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করে, তার মধ্যে ধর্মীয় সহনশীলতা ও পরমতসহিষ্ণুতা বিদ্যমান। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে বলা যায়, রহিমের আচরণ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিশেষভাবে সহায়ক।