সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্দীপকে বর্ণিত আইন অর্থাৎ ফৌজদারি আইন ভূমিকা পালন করে— উক্তিটি যথার্থ।
সমাজে আইন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নাগরিক জীবনে নিরাপত্তা বিধান এবং অপরাধীকে দণ্ড দেওয়ার জন্য প্রণীত আইনকে ফৌজদারি আইন বলে। এ আইন মানুষকে সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার উপভোগ করতে সাহায্য করে, স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করে এবং সুন্দর-সুশৃঙ্খল সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন গঠনে সহায়তা করে।
ফৌজদারি আইন সুসভ্য সামাজিক জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা সমাজজীবনে বিদ্যমান সকল প্রকার অন্যায়, অবিচার, অত্যাচার, নির্যাতন প্রভৃতির বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইন, প্রয়োগ করা হয়। ফৌজদারি আইনই 'দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের' পাশাপাশি আইন- শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে সমুন্নত রেখে জনজীবনে সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করে এবং স্থিতিশীল শাসন কায়েম করে। কেননা ফৌজদারি আইনের মাধ্যমেই অপরাধীকে শাস্তি প্রদান এবং নিরপরাধীকে মুক্তি প্রদান করা হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত সালামের অপরাধের ক্ষেত্রেও ফৌজদারি আইনের মাধ্যমেই শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, অপরাধীকে শাস্তি প্রদান এবং নিরপরাধীকে মুক্তিদানের মাধ্যমে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়। আর এক্ষেত্রে ফৌজদারি আইনের কোনো বিকল্প নেই। তাই বলা যায়, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ফৌজদারি আইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।