আমিও মনে করি, উদ্দীপকে বর্ণিত সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে সকলেই সমভাবে আত্মবিশ্বাসের সুযোগ পাবে। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র কিংবা নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানুষের সমান সামাজিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হলো সামাজিক সাম্য। এরূপ সামনের সামাজিক পরিবেশকে এমন বোঝায়, যেখানে প্রতিটি ব্যক্তি তার নিজ নিজ যোগ্যতা বিকাশের সমান সামাজিক সুযোগ সুবিধা পাবে। সাম্যের মাধ্যমে সভ্য সমাজ সূচিত হয়। শ্রেণীবিভেদহীন গণতান্ত্রিক সমাজ সাম্যের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। সাম্য স্বাধীনতার পূর্ব শর্ত। সাম্য ছাড়া স্বাধীনতা ভোগ করা অসম্ভব। কারণ সাম্য ব্যক্তির স্বাধীনতার পথকে উন্মুক্ত করে এবং স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলে। গণতন্ত্রের ভিত্তি সাম্য। গণতন্ত্রের অন্য অর্থ সামাজিক গণতন্ত্র যেখানে মানুষের-মানুষে, ধনী-দরিদ্র, শিক্ষিত-অশিক্ষিত হিসেবে কোন ভেদাভেদ নেই। সাম্যভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা জনগণ সমানভাবে সব সম্পদ ভোগ করতে পারে। সাম্য বিঘ্নিত হলে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও হুমকির মুখে পড়ে। সাম্য ভিত্তিক সমাজে প্রতিটি ব্যক্তিই কর্মের অধিকার এবং জীবনযাত্রা সর্বনিম্ন মানে নিশ্চয়তা পায়, যা সকলকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রদান করে। সর্বোপরি বলা যায়, সমাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা হলে সকলের সমভাবে আত্মবিকাশে সুযোগ পাবে।