জনাব সিরাজকে কোনো বিচারেই মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ বলা যায় না। এমনকি সিরাজ নিজেও নিজেকে মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে দাবি করার সাহস পাবে না বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।উদ্দীপকে জনাব সিরাজ অবৈধ পন্থায় রাতারাতি ধনী হয়ে উঠেছেন। শ্রমিকদের তিনি নির্দয়ভাবে খাটান কিন্তু ন্যায্য পাওনা দেন না। গরিব, অসহায় ও দরিদ্র মানুষ তার নিকট সাহায্য চেয়ে পায় না। তার এরূপ আচরণের মাধ্যমে মূল্যবোধের নীতি-নৈতিকতা, সহমর্মিতা ও শ্রমের মর্যাদা উপাদানগুলোর অনুপস্থিতি প্রকাশ পেয়েছে। তার মাঝে নীতি ও নৈতিকতাবোধের অনুপস্থিতির কারণে ধনী হওয়ার অবৈধ পন্থা বেছে নিয়েছে। কারণ এ ধরনের মূল্যবোধহীন একজন মানুষ ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত, ভালো-মন্দ ইত্যাদি পার্থক্য করতে পারে না। আবার শ্রমিকদের তিনি নির্দয়ভাবে খাটান এটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকার পরিপন্থি। সব ধরনের শ্রমের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ পোষণ করাই হলো শ্রমের মর্যাদা যেটি জনাব 'খ'-এর আচরণে অনুপস্থিত। এছাড়াও তার মাঝে সহমর্মিতার মতো মূল্যবোধের অনুপস্থিতি রয়েছে বিধায় তিনি গরিব, অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন না। তাদেরকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেন।