উদ্দীপকে জনাব নাবিলা হকের বক্তব্যে নৈতিক মূল্যবোধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।মানুষের ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত, ন্যায়-অন্যায় বোধ নিয়ে নৈতিক মূল্যবোধ গঠিত হয়। নৈতিক মূল্যবোধের উৎস হলো ন্যায়বোধ। মানুষ ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য করে নৈতিক মূল্যবোধের মানদণ্ডেই। পরিবার, বিদ্যালয়, শিক্ষক, সমাজ প্রভৃতি থেকে মানুষ নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পেয়ে থাকে। বড়দের কথা মান্য করা, অন্যায় থেকে বিরত থাকা, অসহায় দুস্থ ও বিপদগ্রস্তদের সাহায্য করা প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধের দৃষ্টান্ত। আর এই মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় হয়, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জন্মে এবং একে অন্যের দুঃখে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে অনুপ্রাণিত হয়।
উদ্দীপকের জনাব নাবিলা হক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উপদেশ দিয়েছেন। তিনি বাবা-মা ও শিক্ষকদের উপদেশ মেনে চলা, ন্যায়-অন্যায়বোধ জাগ্রত রাখা, ভবিষ্যতে আলোকিত মানুষ হয়ে অসহায়, দুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রভৃতির কথা বলেছেন। আর এসব কাজের নির্দেশনায় নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার নির্দেশনা বিষয়টি সুস্পষ্ট।তাই বলা যায়, উদ্দীপকে নাবিলার বক্তব্যে নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে।