হ্যাঁ, আমি উদ্দীপকে উল্লেখিত উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমানের মন্তব্যটির সাথে একমত। কেননা আমাদের প্রত্যেককেই প্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতন হতে হবে।
সাইবার অপরাধ হলো এক ধরনের তথ্য সন্ত্রাস। অনিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে অসচেতনতার কারণে সাইবার অপরাধ ক্রমাগত বেড়েই চলছে। ই-মেইলে হুমকি, পাসওয়ার্ড চুরি, হ্যাকিং ইত্যাদি সাইবার অপরাধের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সামিয়া হোসেন সাইবার অপরাধের শিকার হন। তিনি পুলিশকে বিষয়টি জানালে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ফেসবুক হ্যাকার খালেদ মাহমুদকে গ্রেফতার করেন। পুলিশের উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন যে, আমাদের প্রত্যেককে সাইবার প্রতারণার বিষয়ে আরও সচেতন ও সাবধান হতে হবে। সেইসঙ্গে ফেসবুক ব্যবহারেও সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি অপরাধীদের সন্ধান পেলে আইনের কাছে সোপর্দ করতে হবে। মাসুদুর রহমানের এই কথাগুলো যথার্থ। কারণ প্রযুক্তিগত ব্যবহারে অসচেতনতার কারণেই মূলত সাইবার অপরাধীরা জনগণের সাথে প্রতারণা করতে পারে। পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগ না থাকলেও এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়। তাই জনসচেতনতা এবং আইনের মাধ্যমেই এর প্রতিকার করা সম্ভব।
পরিশেষে বলা যায়, সাইবার অপরাধ ই-গভর্নেন্সের একটি মারাত্মক সমস্যা। তাই এটি প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নিতে হবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উপ- কমিশনার মাসুদুর রহমানের মন্তব্যটি যথার্থ।