উদ্দীপকের শিক্ষক দুলাল গুরুত্বপূর্ণ কাগজসহ তার ব্যাগটি হারিয়ে ফেলেন। তিনি এ ব্যপারে নিকটস্থ থানায় গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন। ঐ কর্মকর্তা তার অভিযোগটি অনলাইনে এন্ট্রি করে তার প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রদান করেন। উদ্দীপকের এ ঘটনাটির মাধ্যমে ই- গভর্নেন্সেকে বোঝানো হয়েছে। ই-গভর্নেন্সের বেশকিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
ই-গভর্নেন্সের বৈশিষ্ট্যসমূহের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ই-গভর্নেন্স তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণ, ব্যবসায়ী শ্রেণি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সরকারি বিভিন্ন অঙ্গ ও সংস্থার মধ্যে সরকারের সেবাসমূহের আদান-প্রদান, অন্যান্য লেনদেন, মিথস্ক্রিয়া প্রভৃতি পরিচালিত করে থাকে। এছাড়া ই-গভর্নেন্স প্রযুক্তি সেবাপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে সহজতর করে। এতে করে প্রান্তিক নাগরিকদের পক্ষেও উন্নত সেবা পাওয়া সহজ হয়। ই- গভর্নেন্সের মাধ্যমে নাগরিকগণ সেবাপ্রাপ্তির পাশাপাশি সেবার মান বিষয়ে মতামত, অভিযোগ বা পরামর্শ সরকারকে জানাতে পারে।
তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে (ক্যাপাসিটি বিল্ডিং) সহায়তা করে। তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়ানো যায়। উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ ছাড়াও এটি ই-গভর্নেন্সের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ই-গভর্নেন্সের অন্যতম আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মানুষে মানুষে যোগসূত্র তৈরি করা (কানেকটিং পিপল)। ই-গভর্নেন্স সরকার ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনে। এর ফলে সর্বস্তরের জনগণ একইরূপ তথ্য জানে এবং তথ্য সহজলভ্য হওয়ার কারণে পণ্যের উৎপাদন, বিপণন ও বাজারজাতকরণ সহজতর হয়।