উদ্দীপকে ই-গভর্নেন্সের সহজগম্যতা, স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও ব্যয়সাশ্রয়ী বৈশিষ্ট্যগুলো বিদ্যমান।
ই-গভর্নেন্সের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো সহজগম্যতা। এতে নাগরিকদের তথ্য ও সেবাসমূহে প্রবেশ সহজতর হয়, যা উদ্দীপকে বর্ণিত সুমনের ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়। গার্মেন্টস শ্রমিক সুমন ঘরে বসে অনলাইনে পেশাগত শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদন করে। এছাড়া ভর্তির জন্য সে অনলাইনে অর্থ প্রদান করে, যা ই-গভর্নেসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য সহজগম্যতার অনূরূপ।
স্বচ্ছতা ই-গভর্নেন্সের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। ই-গভর্নেন্সে সরকারি প্রশাসনের সব কার্যক্রম জনগণের কাছে স্বচ্ছ ও সহজবোধ্য হয়। উদ্দীপকেও এটি লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে দেখা যায়, সুমন ভর্তির জন্য অনলাইনে অর্থ প্রদান করে সে মুহূর্তেই কোন খাতে তার কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে জানতে পারে। এছাড়া সুমন কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করলে ই-মেইলে উত্তর পায়, যা ই-গভর্নেন্সের গতিশীলতা বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ। ই-গভর্নেন্সের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি ব্যয়সাশ্রয়ী। ই-গভর্নেন্স ন্যায্যমূল্যে, কম পরিশ্রমে, যুক্তিসঙ্গত সময়ে সঠিক তথ্য ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে একটি ব্যয়সাশ্রয়ী পদ্ধতি হিসেবে পরিগণিত। সুমনের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সে অল্প ব্যয়ে এবং স্বল্প সময়ে অনলাইনে দক্ষতা উন্নয়ন শিক্ষা গ্রহণ করছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ই-গভর্নেন্সের সহজগম্যতা, স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও ব্যয়সাশ্রয়ী বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রতিফলন ঘটেছে।