এই উদ্দীপকে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ডিজিটাল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জাতিসংঘ কর্তক পুরষ্কৃত হয়েছে। এখন বাংলাদেশের ছাত্ররা খুব কম সময়ে পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারছে এবং সরকারি সেবা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। সারা দেশ ইতিমধ্যে ডিজিটালের মাধ্যমে টেলিফোনের আওতায় এসেছে এবং দেশের সব জেলায় ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে গেছে। দেশে ই-গভর্ন্যান্সের কারণে তথা ডিজিটাল কার্যক্রমের কারণে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন পরীক্ষার রেজাল্ট খুব সহজেই জেনে যাচ্ছে। তাছাড়া মোবাইলে ট্রেনের টিকিট কাটা, অনলাইনে মেশিন রিডেবল পার্সপোর্টের আবেদন জমা দেওয়া, মোবাইলে কৃষি সেবা, অনলাইনে পাঠ্যবই পড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফরম পূরণ, বিভিন্ন চাকরির আবেদন ফরম পূরণ, মেবাইল ব্যাংকিং, অনলাইনে কর প্রদান, অনলাইনে টেন্ডার জমা, অনলাইনে থানায় সাধারণ ডায়রি করা, সরকারি নোটিস জানা, জন্ম- মৃত্যু নিবন্ধন, টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তি ইত্যাদি। শিক্ষার্থীদের পড়াশুনাকে সহজতর করে তুলেছে। এভাবে ডিজিটাল কার্যক্রম বেড়েই চলেছে যাতে করে জনগণ নানাবিধ সুবিধা পাচ্ছে।