উদ্দীপকে দেখা যায় যে, ব্যবসায়ী ডেভিড সাহেব অনলাইনে আয়কর প্রদান করেছেন। এতে ই-গভর্ন্যান্সের একটি দিক প্রতিফলিত হয়েছে।ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থার অবর্তমানে আয়কর প্রদানে পূর্ববর্তী ও সনাতন পদ্ধতি অনুসৃত হতো। সনাতন পদ্ধতিতে আয়কর প্রদান করতে চাইলে ডেভিড সাহেবকে নির্দিষ্ট অফিসে গিয়ে লাইন ধরে প্রথমে অপেক্ষা করতে হতো। এরপর অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর হাতে হাতে টাকা প্রদান করতে পারতেন তিনি। কিন্তু দুর্নীতি, জবাবদিহিতা, দক্ষতা প্রভৃতির অভাবে তার টাকা আদৌ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হলো কিনা বা কত টাকা জমা দেবার বিপরীতে কত টাকা জমা হলো, কবে জমা হলো প্রভৃতি তিনি জানতে পারতেন না। কিন্তু অনলাইনে জমাদানের মাধ্যমে তার সময় ও পরিশ্রম সাশ্রয় হয়েছে। আবার তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পেরেছেন এবং নিশ্চিত হয়েছেন যে তার জমাকৃত অর্থের সর্বশেষ অবস্থান কোথায়। আর এতে সরকারও নির্বিঘ্নে দুর্নীতিমুক্তভাবে শতভাগ অর্থ গ্রহণ করতে পেরেছে, যা ই-গভর্ন্যান্স ব্যতীত সম্ভব ছিল না। আর এভাবেই দৈনন্দিন নাগরিক জীবনের বিভিন্ন স্তরে সেবার মান উন্নয়ন, সহজ ও দ্রুত সেবা, নিরাপদ, দক্ষ ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিতকল্পে ই- গভর্ন্যান্সের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অসীম।