তুমি কি মনে কর, উক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ সুশাসন বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: উদ্দীপকে ই-গভর্নেন্সের সহজগম্যতা, স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও ব্যয়সাশ্রয়ী বৈশিষ্ট্যগুলো প্রতিফলিত হয়েছে। এ বৈশিষ্ট্যগুলো নিঃসন্দেহে সুশাসন বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক বলে আমি মনে করি। সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনাই হচ্ছে সুশাসন। যেকোনো শাসনব্যবস্থার প্রধান লক্ষ্যই হলো রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। আর আধুনিককালে ই-গভর্নেন্স ছাড়া সুশাসনের কথা কল্পনাই করা যায় না। কারণ সুশাসনের সব ধরনের বৈশিষ্ট্য পূরণের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থাই হলো ই-গভর্নেন্স। সুশাসনের অন্যতম নিয়ামক শক্তি হলো স্বচ্ছতা। এ স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় ই-গভর্নেন্স সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ শাসনব্যবস্থার প্রধান সুবিধা হলো অবাধ তথ্য প্রবেশগম্যতা ও উন্মুক্তকরণ। ফলে সরকারের শাসনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগনের সুস্পষ্ট ধারণা থাকে এবং সরকার ইচ্ছা করলেও যা খুশি তা করতে পারে না। অর্থাৎ ই-গভর্নেন্সের অন্যতম বৈশিষ্ট্য স্বচ্ছতা ও সহজগম্যতা সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে। ই-গভর্নেন্সের গতিশীলতা ও ব্যয়সাশ্রয়ী বৈশিষ্ট্য দু'টিও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ই-গভর্নেন্স সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত সাড়াদানকারী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করেছে। তথ্যের অবাধ ও দ্রুত লেনদেনের মাধ্যমে প্রশাসনকে আরও কার্যকর করে তুলেছে। এতে আমলাতন্ত্রের জটিলতা কমে গতিশীল প্রশাসন প্রতিষ্ঠা, অবাধ তথ্যপ্রবাহ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নাগরিকদের চাহিদার প্রতি দ্রুত সাড়া প্রদান সম্ভব হচ্ছে। ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে সরকারি সেবা জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজতর হচ্ছে। উল্লিখিত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ই-গভর্নেন্সের বৈশিষ্ট্যগুলো সুশাসন বাস্তাবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল
তুমি কি মনে কর, উক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ সুশাসন বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক?…
উদ্দীপক
Comilla · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর