'ক' রাষ্ট্রে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের জন্য 'ক' রাষ্ট্রের সরকারের বহুবিধ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে 'ক' রাষ্ট্রের প্রযুক্তির অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ই-গভর্নেন্স সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তথ্যসেবা কেন্দ্রগুলো উন্নত করতে হবে। প্রয়োজন হবে যথেষ্ট প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ। ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ সব জায়গায় সহজলভ্য করতে হবে। সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণকে ই-গভর্নেন্সের সেবা গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। এটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে। ই-গভর্নেন্স চালুই শেষ কথা নয়, এর সফল বাস্তবায়নের দিকে যত্নবান হতে হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক (যেমন এসডিজি) উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ই-গভর্নেন্স এখন সময়ের দাবি। কোনো দেশের সরকারি কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে ই-গভর্নেন্সের কোনো বিকল্প নেই। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের সরকারের উচিত হবে ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের পথ থেকে প্রতিবন্ধকগুলো দূর করা। ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থাকে সফল করতে হলে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। নিজ দেশের ভাষায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ ও সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে যথাযথ আইন ও তার প্রয়োগ নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। পরিশেষে বলা যায়, ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য 'ক' রাষ্ট্রের সরকারকে জনগণের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান ও শিক্ষার প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি উল্লিখিত সহায়ক পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে হবে।
HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল
'ক' রাষ্ট্রে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয…
উদ্দীপক
Dhaka · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর