শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবস্থা দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক— তুমি কি একমত?

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবস্থা অর্থাৎ ই-গভর্নেন্স দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক - কথাটির সাথে আমি একমত। সরকারি কার্যক্রমের তথ্য ও বিভিন্ন সেবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌছানোর ব্যবস্থাই হলো ই-গভর্নেন্স। দুর্নীতি সুশাসনের পথে বড় বাধা। নীতি ও আইনবিরুদ্ধ আচরণই হলো দুর্নীতি। ই-গভর্নেন্সে দুর্নীতির সুযোগ অনেক কমে যায়। কেননা, ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থায় সরকারের শাসন সংক্রান্ত প্রায় সব বিষয় (কিছু স্পর্শকাতর বিষয় ছাড়া) জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। ফলে রাষ্ট্রের কোথায় কী হচ্ছে, সরকার কী করছে সে সম্পর্কে জনগণ সহজেই একটা ধারণা পায়। এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন খুব কম বিষয়ই জনগণের কাছ থেকে গোপন করতে পারেন। এজন্য ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা চালু থাকলে সাধারণত সরকার যা খুশি তাই করতে পারে না। এর ফলে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় এবং আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা দূর হয়। এ কারণে অনিয়ম-দুর্নীতির পথ সংকীর্ণ হয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে প্রশাসনের কাজের ওপর সহজেই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। ফলে স্বচ্ছ, উন্মুক্ত প্রশাসনে আমলাদের পক্ষে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য দুর্নীতির পথে যাওয়া দুঃসাধ্য হয়। ওপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, দুর্নীতি নির্মূল করতে ই-গভর্নেন্সের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ । তাই বলা যায়, ই-গভর্নেন্স দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক।

HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবস্থা দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক— তুমি কি একমত?

উদ্দীপক

তথ্য প্রযুক্তির কারণে 'ক' রাষ্ট্রে সরকারি সেবাসমূহ জনগণের কাছে দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে। তথ্য সংগ্রহের জন্য জনগণকে আর কোথাও ছুটে যেতে হয় না । ফলে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে।

Rajshahi · 2018

উত্তর

অন্যের কল্যাণে আত্মনিবেদনের মহান ব্রতই জনসেবা।

উত্তর

ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশাল নেটওয়ার্ক। এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তথ্য ও যোগাযোগের অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস এর UCLA (University of California, Los Angeles) ল্যাবরেটরিতে ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয়। ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক, ট্যাব, স্মার্টফোন ইত্যাদির মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয় । ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মানুষ দ্রুত, অপেক্ষাকৃত কম খরচে এবং সহজে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে। তথ্যের প্রাপ্তি ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশ্বে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেছে ইন্টারনেট।

উত্তর

উদ্দীপকের রাফিন ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থার সুফল ভোগ করছে।ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের কাছে পৌছানোকেই ই-গভর্নেন্স বলে। বাংলাদেশেও ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে জনগণ ঘরে বসেই বিভিন্ন সরকারি সেবা ভোগ করছে। ই- গভর্নেন্স তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশাসনিক কর্মকান্ডের গতি বাড়িয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি খাতে সরকার যে সেবা দিচ্ছে তা জনগণের কাছে পৌঁছানো সহজতর হচ্ছে। বর্তমানে পরীক্ষার ফল জানা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ভর্তির ফরম পূরণ করা, ট্রেনের টিকিট কাটা, পাসপোর্টের আবেদন জমা দেওয়া, সরকারি চাকরির আবেদন করা, কর ও পরিসেবার বিল দেওয়া, টেন্ডার জমা দেওয়া এসব কাজ মানুষ সহজেই অনলাইনে করতে পারছে।উদ্দীপকে দেখা যায়, রাফিন বিদেশে পড়াশোনার জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন, পরীক্ষা, ভর্তি ও সরকারি অনুমোদন নিয়ে ইতালিতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছে। সে মোবাইলেরে মাধ্যমে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে। রাফিনের এ কাজগুলো সরাসরি ই-গভর্নেন্সের সাথে সম্পর্কিত এবং সে এ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করছে। তাই বলা যায়, রাফিন ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থার সুফল ভোগ করছে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবস্থা অর্থাৎ ই-গভর্নেন্স দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক - কথাটির সাথে আমি একমত। সরকারি কার্যক্রমের তথ্য ও বিভিন্ন সেবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌছানোর ব্যবস্থাই হলো ই-গভর্নেন্স। দুর্নীতি সুশাসনের পথে বড় বাধা। নীতি ও আইনবিরুদ্ধ আচরণই হলো দুর্নীতি। ই-গভর্নেন্সে দুর্নীতির সুযোগ অনেক কমে যায়। কেননা, ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থায় সরকারের শাসন সংক্রান্ত প্রায় সব বিষয় (কিছু স্পর্শকাতর বিষয় ছাড়া) জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। ফলে রাষ্ট্রের কোথায় কী হচ্ছে, সরকার কী করছে সে সম্পর্কে জনগণ সহজেই একটা ধারণা পায়। এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন খুব কম বিষয়ই জনগণের কাছ থেকে গোপন করতে পারেন। এজন্য ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা চালু থাকলে সাধারণত সরকার যা খুশি তাই করতে পারে না। এর ফলে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় এবং আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা দূর হয়। এ কারণে অনিয়ম-দুর্নীতির পথ সংকীর্ণ হয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে প্রশাসনের কাজের ওপর সহজেই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। ফলে স্বচ্ছ, উন্মুক্ত প্রশাসনে আমলাদের পক্ষে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য দুর্নীতির পথে যাওয়া দুঃসাধ্য হয়। ওপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, দুর্নীতি নির্মূল করতে ই-গভর্নেন্সের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ । তাই বলা যায়, ই-গভর্নেন্স দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক।
HSCCivics 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.ISP এর পূর্ণরূপ কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে। উদ্দীপকে নিচের কোন আইনটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.G < C অর্থ-

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোনটি সরকারি আইন নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ২০১৬- এ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি হ্যাকারদের দ্বারা কীভাবে সংঘটিত হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
ii. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির অনুপস্থিত
iii. জনগণ রাষ্ট্রের করণীয় নির্ধারণ করে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-
i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ii. জীবনধারণের স্বাধীনতা
iii. চলাফেরার স্বাধীনতা নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. উদ্দীপকে যে নীতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তার নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. কোন রাষ্ট্রে এ ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12."An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ISP এর পূর্ণরূপ কী?কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইনG < C অর্থ-কোনটি সরকারি আইন নয়?হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাবাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতাii. জীবনধারণের স্বাধীনউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছেউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে"An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।