উদ্দীপকের রাফিন ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থার সুফল ভোগ করছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের কাছে পৌছানোকেই ই-গভর্নেন্স বলে। বাংলাদেশেও ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে জনগণ ঘরে বসেই বিভিন্ন সরকারি সেবা ভোগ করছে। ই- গভর্নেন্স তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়িয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি খাতে সরকার যে সেবা দিচ্ছে তা জনগণের কাছে পৌঁছানো সহজতর হচ্ছে। বর্তমানে পরীক্ষার ফল জানা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ভর্তির ফরম পূরণ করা, ট্রেনের টিকিট কাটা, পাসপোর্টের আবেদন জমা দেওয়া, সরকারি চাকরির আবেদন করা, কর ও পরিসেবার বিল দেওয়া, টেন্ডার জমা দেওয়া এসব কাজ মানুষ সহজেই অনলাইনে করতে পারছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রাফিন বিদেশে পড়াশোনার জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন, পরীক্ষা, ভর্তি ও সরকারি অনুমোদন নিয়ে ইতালিতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছে। সে মোবাইলেরে মাধ্যমে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে। রাফিনের এ কাজগুলো সরাসরি ই-গভর্নেন্সের সাথে সম্পর্কিত এবং সে এ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করছে। তাই বলা যায়, রাফিন ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থার সুফল ভোগ করছে।