তথ্য বিনিময়ে ই-গভর্নেন্সের সুবিধগুলো লেখ।
উত্তর: ই-গভর্ন্যান্স ও সংশ্লিষ্ট সেবার সুবিধাসমূহ আপনার দেওয়া তালিকাটি ই-গভর্ন্যান্স এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিককে নির্দেশ করে। নিচে প্রতিটি বিষয়ের ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: ১. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা : সরকারি সকল তথ্য, আইন এবং সেবার বিবরণ অনলাইনে প্রকাশ করায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আসে। এর ফলে, নাগরিকেরা সহজেই জানতে পারে কোন সেবা কীভাবে পাওয়া যাবে এবং কোনো কাজ সম্পন্ন হতে দেরি হলে তার কারণ কী। এটি সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ বা জবাবদিহি করতে সাহায্য করে। ২. আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস : অনলাইন সেবা চালু হওয়ায় অনেক কাজ এখন ঘরে বসেই করা যায়। এতে সনাতন পদ্ধতির দীর্ঘসূত্রিতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং অপ্রয়োজনীয় ধাপ কমে আসে, যা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বহুলাংশে হ্রাস করে। ৩. দুর্নীতি রোধ : ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা প্রদান এবং অর্থ লেনদেনের ফলে মানুষের সাথে মানুষের সরাসরি সংস্পর্শ কমে যায়। প্রতিটি কার্যক্রমের ডিজিটাল রেকর্ড থাকায় অবৈধ লেনদেন বা দুর্নীতির সুযোগ কমে আসে। ৪. ই-হেলথ : ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাকে ই-হেলথ বলে। এর মধ্যে রয়েছে টেলিমেডিসিন, অনলাইনে ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন এবং স্বাস্থ্য তথ্য সংরক্ষণ, যা গ্রামীণ বা দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে। ৫. সর্বজনীন তথ্য প্রবাহ : ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে তথ্যকে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর ফলে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হয় এবং জনগণ সহজেই যেকোনো প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।
HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল
তথ্য বিনিময়ে ই-গভর্নেন্সের সুবিধগুলো লেখ।
উদ্দীপক
আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর